বিবাহিত পুরুষদের পরমার্শ অমিতাভের! কাজ থেকে ফিরতে দেরি হলে, তিনি করেন এই কাজ
কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮ চলাকালীন অমিতাভ তাঁর সমস্ত পুরুষ দর্শকদের পরামর্শ দেন যাতে তাঁরা কখনো নিজেদের বিয়ের তারিখ ভুলে না যান। এমনকী, বিগ বি জানান, রাত করে বাড়ি ফিরলে এই কাজ তাঁদের করতেই হয়।
বলিউডের সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন বর্তমানে তাঁর জনপ্রিয় কুইজ শো 'কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮' (KBC 18)-কে ঘিরে সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন। এই শো-তে এখনো পর্যন্ত বহু প্রতিযোগী এসেছেন এবং কোটি কোটি টাকা জিতে বাড়ি ফিরেছেন। শো-এর একাধিক প্রোমোও ইন্টারনেটে দারুণ ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি 'কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮'-এর একটি পর্বে অমিতাভ বিয়ে নিয়ে একটি মজাদার মন্তব্য করেছেন। তিনি শো চলাকালীন, বিশেষ করে পুরুষদের বিয়ের তারিখ না ভোলার পরামর্শ দেন। মজার ছলে শো-র সমস্ত পুরুষ দর্শককে সতর্ক করে বলেন যে, যদি কোনো স্বামী তাঁর বিয়ের তারিখ ভুলে যান, তবে তাঁর দিকে উড়ে আসা জুতো, চটি আর বেলন-এর জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

‘কখনও ভুলবেন না বিয়ের তারিখ’
'কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮'-এর একটি পর্বে অমিতাভ বচ্চনকে বেশ মজার মেজাজে দেখা যায়। তিনি শো চলাকালীন বলেন, ‘সমস্ত স্বামীদের বলছি, মন দিয়ে শুনুন। যে দিন আপনাদের বিয়ে হয়েছিল, পৃথিবীর বাকি সব তারিখ ভুলে গেলেও সেই একটি তারিখ কখনও ভুলবেন না।’ তিনি আরও বলেন, 'এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তারিখ। স্ত্রীদের স্বভাবই হল বারবার জিজ্ঞাসা করা—তোমার কি মনে আছে আমাদের কবে বিয়ে হয়েছিল?'
‘পরিবারকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানাই কাজের সময়সূচি’
কেবিসি ১৮-এর এই পর্বেই এক প্রতিযোগী যখন অমিতাভ বচ্চনকে জিজ্ঞাসা করেন যে, তাঁর স্ত্রী জয়া বচ্চন কি তাঁর কাজ থেকে ফেরার অপেক্ষা করেন যাতে তাঁরা একসঙ্গে রাতের খাবার (ডিনার) খেতে পারেন? উত্তরে অমিতাভ জানান যে, তিনি জয়া-সহ তাঁর পুরো পরিবারকে নিজের কাজের সময়সূচি সম্পর্কে জানাতে থাকেন, যাতে তাঁরা সেই অনুযায়ী খাবারের পরিকল্পনা করতে পারেন।
অমিতাভ বলেন, ‘পরিবারের সব সদস্যের নিয়ে আমি একটি গ্রুপ তৈরি করেছি, যেখানে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠেই, হাত জোড় করে 'নমস্কার'-এর মেসেজ পাঠাই। তারপর তাঁদের জানিয়ে দিই যে, আজ আমার শুটিং আছে এবং ফিরতে দেরি হবে, তাই তাঁরা যেন ডিনারের জন্য আমার অপেক্ষা না করেন। আমি সবাইকে আগেই জানিয়ে দিই আর এতে আমি বেঁচে যাই।’
রাতে বাড়ি ফিরে করতে হয় এই কাজ
বিগ বি আরও বলেন, ‘কিন্তু ধরুন যদি আমি তাঁকে (জয়াকে) না জানাই, তবে আমাকে বকা খেতে হয় এবং শুনতে হয়—'তুমি কোথায় ছিলে? আমাদের জানাওনি কেন? এটা কি বাড়ি ফেরার সময়?' তাই যদি আমার খুব দেরি হয়ে যায়, তবে জয়া নিজের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।’
অমিতাভ আরও দাবি করেন যে, কাজ সেরে গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পর যদি কোনো গৃহপরিচারক না থাকেন, তবে তিনি নিজের খাবার নিজেই বেড়ে নেন এবং খাওয়া শেষে টেবিল-বাসন পরিষ্কারও করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


