'নিজের ভয়ের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম', মেঘা চরিত্রের জন্য কেন রাজি হন অনামিকা?

অনামিকা চক্রবর্তী, এক সময় ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ছিলেন তিনি। কিন্তু এখন আর কেমন ভাবে অভিনয় করতে দেখা যায় না তাঁকে। তিনি সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন মিঠিঝোরা ধারাবাহিকে, পার্শ্ব চরিত্রে। 

Published on: Sep 13, 2026, 19:50:54 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অনামিকা চক্রবর্তী, এক সময় ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ ছিলেন তিনি। কিন্তু এখন আর তেমন ভাবে অভিনয় করতে দেখা যায় না তাঁকে। তিনি সর্বশেষ অভিনয় করেছিলেন ‘মিঠিঝোরা’ ধারাবাহিকে, পার্শ্ব চরিত্রে। এবার বেশ কয়েক মাসের বিরতির পর আবার ‘গঙ্গা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অনামিকাকে।

মেঘা চরিত্রের জন্য কেন রাজি হন অনামিকা?
মেঘা চরিত্রের জন্য কেন রাজি হন অনামিকা?

‘গঙ্গা’ ধারাবাহিকের নতুন প্রোমোয় দেখতে পাওয়া গিয়েছে, একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা চরিত্রে ধরা দিচ্ছেন অভিনেত্রী। এমন একটি চরিত্র যে গঙ্গাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে নিজের মাকে। এত মাস পর যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন পাগল মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার চরিত্রই বা কেন তিনি বেছে নিলেন, এমন কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় অভিনেত্রীকে। তাই আবার সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন অনামিকা।

গঙ্গা ধারাবাহিকের বেশ কিছু দৃশ্যের ছবি পোস্ট করে অনামিকা লেখেন, ‘চাইলেই আমি এই চরিত্রটা নাই করতে পারতাম। সহজ, স্বচ্ছন্দ এবং পরিচিত একটি চরিত্র বেছে নেওয়াটা হয়তো অনেক বেশি সহজ ছিল। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই মনীষার মত একটা জটিল চরিত্র বেছে নিয়েছি কারণ কোথাও গিয়ে আমি এই ভয়টার মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম। একজন অভিনেত্রী হিসেবে সব সময় সহজ চরিত্র করতে চাই না আমি। কিছু চরিত্র আমাকে অস্বস্তিতে ফেলুক, আমার সীমাবদ্ধতাগুলোকে সামনে নিয়ে আসুক সেটাও দরকার। এই চরিত্রটা তাই শুধুমাত্র একটি চরিত্র নয়, আমার নিজের ভয়কে ফেস করার একটা যাত্রা।’

প্রসঙ্গত, খুব সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে অনামিকা, নিজের অসুস্থতার কথাও জানিয়েছেন। কেন তিনি এতটা মোটা হয়ে গিয়েছেন, কোন রোগে আক্রান্ত তিনি সেই সব কিছুই জানিয়েছেন তিনি। তিনি এও জানিয়েছেন, তিনি কোনও ডিপ্রেশনে নেই বরং শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ। বাড়ির সকলে বিশেষ করে উদয় ভীষণভাবে তাঁকে সাপোর্ট করছেন তাই তিনি আশা রাখছেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে তিনি পুরোদমে কাজে ফিরতে পারবেন।