‘জানি অন্যরকম…’, মানসিক ভারসাম্যহীন চরিত্রে জলসায় ফিরছেন অনামিকা! কোন মেগা?
অনামিকাকে শেষ ছোট পর্দায় দেখা গিয়েছিল গঙ্গা ধারাবাহিকে। খুব জলদিই ফিরছেন নিজের নতুন কাজ নিয়ে। তবে এবার একদম আলাদা এক চরিত্রে। এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার চরিত্রে দেখা যাবে অনামিকাকে।
একসময় বাংলা ধারাবাহিকের নায়িকা হিসেবে ঘরে ঘরে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন অনামিকা চক্রবর্তী। এরপর বহুবছর তাঁকে দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় চরিত্রে। এমনকী কয়েকমাস আগে অনামিকার অভিযোগ ছিল যে, ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে নাকি টলিপাড়ায় কাজ পাচ্ছেন না! এমনকী, ডেইলি ভ্লগিংও শুরু করেন তিনি। তবে ফের ফিরছেন ছোট পর্দায়, স্টার জলসার এই জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মাধ্যমে।

অনামিকা-কে দেখা যাবে ‘গঙ্গা’ ধারাবাহিকে এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার চরিত্রে। যে গঙ্গাকে সাহায্য করবে নিজের মা-কে ফিরে পেতে। জলসার শেয়ার করা প্রোমোত দেখা গেল, মায়ের ছবি হাতে নিয়ে তাকে খুঁজছে গঙ্গা। খবরের কাগজে এক মহিলার ছবি দেখে, যাকে দেখতে হুবহু তার মায়ের মতো।
সেই সময় গঙ্গার সামনে এসে দাঁড়ায় এক মহিলা। আলুথালু চুল। নোংরা পোশাক। হাত জোর করে বলে, ‘দিদি আমি তোমার সঙ্গে অনেক অন্যায় করেছি, আমায় ক্ষমা করে দাও।’ সেইসময় কিছু মানুষ এসে টেনে নিয়ে যায় সেই মহিলাকে। আসলে চেহারায় মিল থাকায় গঙ্গার মায়ের সঙ্গে গঙ্গাকে গুলিয়ে ফেলে সেই মহিলা। আর এটা বুঝতে পেরেই গঙ্গা বলে ওঠে, ‘ওনার মনে হয় আমার মায়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ আছে।’ এরপর অর্জুনের পরামর্শে সেই এলাকায় চেহারা বদল করে থাকতে শুরু করে তারা।
এই পাগল মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার চরিত্রেই দেখা যাবে অনামিকাকে। গঙ্গার এই নতুন প্রোমো শেয়ার করে অনামিকা লিখলেন, ‘জানি একটু আলাদা। কিন্তু কথা দিচ্ছি কেউ হতাশ হবেন না। এটা কামব্যাক না। নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে আসার একটা সুযোগ, যাতে আগামীকালের কামব্যাকটা আরও বড় হয়। সবাই দেখবেন, সাপোর্ট করবেন আর অনেক ভালোবাসা নেবেন।’
বছরখানেক আগে এক পডাকস্টে এসে অনামিকা বলেছিলেন, ‘আমাকে ক্রমাগত ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমাকে দেখেই ওরা বলে মোটা হয়ে গিয়েছ। রোগা না হলে স্ক্রিনে ভাল লাগবে না। কারণ ওরা এটাই বিশ্বাস করতে চায়। যে রোগা মানেই সে সুন্দর। রোগা না হলে অভিনেত্রী হওয়া যায় না।’
১৬-১৭ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে আসেন অনামিকা প্রথম। এরপর একে একে রাজযোটক, ফুলমণি, এখানে আকাশ নীল, লালকুঠি-র মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ছিলেন হোলি ফাক-এর নায়িকা। তাঁর শেষ ছোট পর্দায় কাজ ছিল মিঠিঝোরা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


