Anamika Chakraborty: টিভির পর্দায় শাড়ি, বাস্তবে কেন নগ্ন উরু-ছোট পোশাক! নাজেহাল অনামিকার কড়া জবাব

ধারাবাহিকের নায়িকারা, যাদের টিভি স্ক্রিনে শাড়িতেই দেখতে অভ্যস্ত দর্শকরা, তাঁদের গায়ে ‘ছোট পোশাক’ মানেই গেল গেল রব! তবে এসব নীতি পুলিশদের সহবতের পাঠ পড়ালেন অনামিকা চক্রবর্তী। 

Published on: Jul 2, 2026, 10:31:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

যত দিন যাচ্ছে তারকা-খ্যাতির সঙ্গে যেন ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে ট্রোল। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো পোস্ট এলেই কমেন্টে ভরিয়ে দেন নীতি-পুলিশরা। কার কীরকম পোশাক পরা উচিত, কীভাবে কথা বলা উচিত, কী খাওয়া উচিত, অযাচিত উপদেশের আসর নামে। বিশেষ করে ধারাবাহিকের নায়িকারা, যাদের টিভি স্ক্রিনে শাড়িতেই দেখতে অভ্যস্ত সকলে, তাঁদের গায়ে ‘ছোট পোশাক’ মানেই গেল গেল রব!

সোশ্যাল মিডিয়ার নীতি পুলিশদের সহবতের পাঠ পড়ালেন অনামিকা চক্রবর্তী।
সোশ্যাল মিডিয়ার নীতি পুলিশদের সহবতের পাঠ পড়ালেন অনামিকা চক্রবর্তী।

এসব নীতি পুলিশদের সহবতের পাঠ পড়ালেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ অনামিকা চক্রবর্তী। কিছুদিন আগেই স্বামী উদয়প্রতাপ সিং-এর সঙ্গেদ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে মন্দারমনি গিয়েছিলেন অনামিকা। সেখানে সমুদ্রের ধারে ওয়ান পিসে কিছু ছবি শেয়ার করতেই পড়েন ট্রোলে। ‘তোমাকে ছোট পোশাকে দেখতে ভালো লাগে না’-র মতো মন্তব্যে ভরে যায় কমেন্ট সেকশন।

এরপর বুধবার বেশ রাতের দিকে জবাব এল অনামিকার থেকে। লিখলেন, ‘রিসেন্টলি আমার একটা রিলে কিছু মানুষকে দেখলাম কমেন্ট করতে যে তারা নাকি আমাকে ছোট পোশাকে দেখতে অভ্যস্ত নয়। তাহলে আজ থেকেই অভ্যেস করে নিন। আর যদি না করতে পারেন, তাহলে নিজেদের মাথা ঘামিয়ে, সময় নষ্ট করে কমেন্ট করতে থাকুন। আমার কিন্তু তাতে কিছুই যায় আসে না। আপনারা ৪টে বাজে কথা বলবেন, আমি ১০টা ছোট পোশাক পরে ছবি দেব। এই চক্রটা সারাজীবন চলতেই থাকবে।’

‘কিছু মানুষ আনফলো করবেন, আবার কিছু নতুন মানুষ ফলোও করবেন। এটাই তো সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়ম। তাই যার যেটা করার, নিশ্চিন্তে করুন। কিন্তু অভ্যেসটা করে নিন। আর যদি সেটাও না হয়, তাহলে ‘নট ইন্টারেস্টেড’ বলে একটা অপশন তো আছেই নির্দ্বিধায় সেটাই বেছে নিন। দুজনেরই ভালো হবে। একটু ডিক্লাটারও হয়ে যাবে।’, আরও লেখেন অনামিকা নিজের পোস্টে।

অনামিকার এই পোস্টে এক মহিলা মন্তব্য করলেন, ‘কথায় আছে 'আপ রুচি খানা আর পর রুচি পহেন না', মানে নিজের খুশিতে খাও আর অন্যেরা তোমাকে কী পরলে ভালো লাগছে সেরকম জামাকাপড় পর, সাজসজ্জা কর। যতদিন এই প্রবাদ বাক্য মানুষ মেনে চলেছে ততদিন পর্যন্ত পুরুষ-নারী উভয়ের সৌন্দর্য সভ্যতা দুটোই বজায় ছিলো, আর এখন বিশেষ করে মেয়েরা বলে নিজের টাকায় জামা কাপড় কিনে পরব, তাই সেটা পরব না কি পরব না সেটা আমার ব্যাপার, অর্ধেকও পরতে পারি, তাই এখন সমাজ প্রায় অর্ধ উলঙ্গ হয়ে গিয়েছে…’।

এর জবাবে অনামিকা লিখলেন, ‘আপনি হিপোক্রিসি করবেন না, প্লিজ। আমি দেখলাম আপনি স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আছেন। আমার একটা পা দেখা গিয়েছে বলে সমস্যা? দিদি, জ্ঞান তখনই দেবেন, যখন সেটা নিজেও মেনে চলবেন। যাই হোক! সমাজে আরও অনেক খারাপ কাজ হচ্ছে, সেগুলোর দিকে ফোকাস করুন।’

তবে অনামিকার ভক্তরা তাঁকে পরামর্শ দিয়েছেন এসব নেচিবাচকতাকে পাত্তা না দিয়ে, নিজের ছন্দে নিজের খুশি মতো থাকতে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More