‘নীলাঞ্জনাদি তুমি এভাবেই শাসন করে…’! আনন্দী শেষ হতেই লিখলেন ‘আদিদেব’ ঋত্বিক
সোমবার থেকে আর টিভিতে দেখা যাবে না দর্শকদের প্রিয় জুটি আদিদেব আর আনন্দীকে। মন খারাপ করা চিঠি এল ‘আনন্দী’ ধারাবাহিকের নায়ক ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়ের থেকে।
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'আনন্দী' ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে শুরু হয়েছিল। প্রায় দু বছর পথ চলার পর, ২০২৬ সালের ২৬ জুন হয় মেগার শেষ সম্প্রচার। সোমবার থেকে আর টিভিতে দেখা যাবে না আদিদেব আর আনন্দীকে। দর্শক ও ভালোবাসার মানুষদের জন্য বার্তা এল ধারাবাহিকের নায়ক ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়ের থেকে।

ঋত্বিক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, ‘কালের নিয়মে বা বলা ভালো পদ্ধতিগত ভাবে আজ থেকে 'আনন্দী' আর সম্প্রচারিত হবে না। আপনারা যে আনন্দী ধারাবাহিকের প্রতি আসক্ত ছিলেন তার প্রমাণ বারবার পেয়েছি, এই ভাবে পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ, জি বাংলাকে।’ সঙ্গে ধারাবাহিকের প্রযোজক নীলাঞ্জনা শর্মার জন্য ঋত্বিক লিখেছেন, ‘নীলাঞ্জনাদি তুমি এভাবেই শাসন করে যেও আজীবন।’ প্রসঙ্গত, যিশু সেনগুপ্তর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর, নীলাঞ্জনার প্রযোজনা সংস্থা নিনি চিনি'স মাম্মাস-এর প্রথম প্রযোজনা ছিল এটি। তাই শেষ দিনের শ্যুটে গোটা টিমের চোখের জল ফেলতে দেখা গিয়েছিল তাঁকেও। এমনকী, মায়ের সঙ্গে হাজির ছিল দুই মেয়ে সারা ও জারা-ও। কেক কেটে, সবার হাতে মেমেন্টো তুলে দিয়ে শেষ হয় দু বছরের যাত্রা।
বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ঋত্বিক-অন্বেষা জুটি। এর আগেও একাধিকবার আনন্দী বন্ধের গুঞ্জন উঠেছিল, তবে এবারে আর শেষ রক্ষা হল না। এর আগে 'আমাদের এই পথ যদি না শেষ হয়' ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল ঋত্বিক-অন্বেষাকে।
দীর্ঘদিন থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ঋত্বিকের কেরিয়ার শুরু হয়েছিল আমাদের এই পথ যদি না শেষ হয় দিয়েই। এরপর কাজ করেন মন দিতে চাই ধারাবাহিকে। তারপর আনন্দী-তে কাজ। আনন্দী ধারাবাহিক চলাকালীনই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন ঋত্বিক। পেশায় ডিজিটাল ক্রিয়েটর প্রেমিকা দিশা দাসের সঙ্গে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর আইনি ও সামাজিক বিয়ে সারেন।
এক রিয়েলিটি শো-তে এসে ঋত্বিক জানিয়েছিলেন যে, ছোটবেলা খুব একটা সহজ ছিল না তাঁর। বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদের পর তীব্র আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। মা-বাবার বিচ্ছেদের পর থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা। তাই একবছর চাকরি করে টাকা জমাতেন, পরের বছর করতেন থিয়েটার। এমনকী করোনা লকডাউন চলাকালীন পাড়ার মোড়ে বসে সবজিও বিক্রি করতে হয়েছিল। তবে এরপর জি বাংলায় এই পথ যদি না শেষ হয়-তে কাজ করার সুযোগ বদলে দেয় তাঁর ভাগ্য।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


