অক্ষয় কুমারের ছেলে আরবের সঙ্গে ছুটির মেজাজে অনন্যা! ঠবি ভাইরাল হতেই বাড়ছে চর্চা

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডের সাম্প্রতিক একটি ছবি ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবিতে তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছে অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খান্নার ছেলে আরব ভাটিয়াকে। দু’জনের হাতেই রয়েছে ঘরে তৈরি কিছু খাবার। সাধারণত প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন আরব। 

Published on: Oct 23, 2026, 19:31:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বলিউডের তারকাসন্তানদের মধ্যে বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খান্নার ছেলে আরব ভাটিয়া। তবে এবার অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডের সঙ্গে তাঁর একটি ছবি ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা। ছুটির মুহূর্তে দু’জনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। তাঁদের হাতে ছিল ঘরে তৈরি কিছু বেক করা খাবার।

অক্ষয় পুত্র  আরব ভাটিয়ার সঙ্গে অনন্যা পাণ্ডে।
অক্ষয় পুত্র আরব ভাটিয়ার সঙ্গে অনন্যা পাণ্ডে।

অনন্যার সঙ্গে আরবের ছুটির মুহূর্ত

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছবিটি ভাগ করে নিয়েছেন অনন্যা। ছবিতে পাশাপাশি বসে ক্যামেরার সামনে খাবার হাতে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে দু’জনকে। তাঁদের এক বন্ধুর পোস্ট করা ছবিটি পরে নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেন অভিনেত্রী। ছবির সঙ্গে লেখা ছিল, ‘গাইজ, আমার হাতে তৈরি খাবার অনুমোদন পেয়েছে।’

অনন্যা পাণ্ডের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি।
অনন্যা পাণ্ডের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি।

ছবিতে আরবের পরনে ছিল ধূসর রঙের নকশা করা কার্ডিগান এবং গাঢ় রঙের শার্ট। তাঁর হাতে ছিল মাফিন ভর্তি একটি স্বচ্ছ পাত্র। অন্যদিকে, বাদামি রঙের ঢিলেঢালা হুডি পরে দেখা গিয়েছে অনন্যাকে। পোশাকের উপরে নীল রঙে লেখা ছিল ‘ম্যাড লাকি’।

কেন চর্চায় আরব ভাটিয়া?

২০০২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কল খান্নার প্রথম সন্তান হিসেবে জন্ম আরবের। তাঁদের আরও এক সন্তান রয়েছে, মেয়ে নিতারা, যার জন্ম ২০১২ সালে। বলিউডের অন্যতম পরিচিত পরিবারের সদস্য হলেও আরবের জীবনযাপন অন্য অনেক তারকাসন্তানের থেকে আলাদা। অভিনয় কিংবা বিনোদন জগতের প্রচারের সঙ্গে তাঁকে খুব একটা যুক্ত থাকতে দেখা যায় না। পরিবারের সঙ্গে মাঝেমধ্যে প্রকাশ্যে এলেও নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সচরাচর সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেন না তিনি।

কাজ নিয়ে ব্যস্ত অনন্যা

কাজের ক্ষেত্রে অনন্যাকে শেষবার কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে ‘তু মেরি ম্যায় তেরা ম্যায় তেরা তু মেরি’ এবং লক্ষ্যর সঙ্গে ‘চাঁদ মেরা দিল’ ছবিতে দেখা গিয়েছে। তবে বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি কোনও ছবিই।

এবার ‘কল মি বে’-র দ্বিতীয় সিজনে বেলা বে চৌধুরীর চরিত্রে ফিরতে চলেছেন অভিনেত্রী। এই সিরিজে শ্রুতি হাসানকেও দেখা যাবে। তবে তাঁর চরিত্র এবং নতুন সিজনের গল্প নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। জার্মানিতে প্রাইম ভিডিয়োর ‘অবসেসড রিট্রিট’ অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় সিজনের প্রথম ঝলক প্রকাশ করা হয়েছিল।

চলতি বছরের গোড়ায় অনুরাগীদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল কথোপকথনে অনন্যা জানিয়েছিলেন, নতুন সিজনে বেলা, নীল এবং অ্যাগির সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হবে। পাশাপাশি বেলার বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিকও গুরুত্ব পাবে। অভিনেত্রীর কথায়, এবার বেলাকে আরও পরিণত হিসেবে দেখা যাবে। পেশাগত জীবনে সাংবাদিক হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সম্পর্কের টানাপোড়েনও সামলাতে হবে তাকে।

এখানেই শেষ নয়। ২০২৭ সালের আইফা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাবে অনন্যাকে। আবু ধাবিতে আয়োজিত হতে চলা এই অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে থাকবেন করণ জোহর, বরুণ ধাওয়ান এবং মনীশ পল।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More