সেই প্রেগন্যান্সির সময় কথা দেন প্যানকেক খাওয়ানোর, এখনো তা রাখেননি! ‘পর্দার বউ’ ঋদ্ধিমার কাছে ক্ষমা চাইলেন অনিন্দ্য
ঋদ্ধিমাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট অনিন্দ্যর। জানালেন, বহু বছর আগে তাঁর কাছে প্যানকেক খাওয়ার আবদার করেছিলেন ঋদ্ধিমা, যা এখনো পূরণ করেননি।
জনপ্রিয় বাংলা ওয়েব সিরিজ শ্বেতকালী ২ মুক্তি পাচ্ছে ২৩ অক্টোবর। যাতে দেখা যাবে ঐন্দ্রিলা সেন, ঋদ্ধিমা ঘোষ, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। আর এই সিরিজেই স্বামী ও স্ত্রী হিসেবে দেখা যাবে অনিন্দ্য ও ঋদ্ধিমাকে, তাও প্রথমবার। সিরিজ মুক্তির আগে ঋদ্ধিমাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট অনিন্দ্যর। জানালেন, বহু বছর আগে তাঁর কাছে প্যানকেক খাওয়ার আবদার করেছিলেন ঋদ্ধিমা, যা এখনো পূরণ করেননি।

ঋদ্ধিমার সঙ্গে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে অনিন্দ্য লিখলেন, ‘আমাদের বন্ধুত্ব ১৪ বছরেরও বেশি পুরনো। আর এত বছর পর প্রথমবার একসঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করলাম। তবে সেটা অন্য গল্প। আজকের এই পোস্টটা আসলে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার জন্য। অপরাধটা ছোট হলেও অপরাধী আমি নিজেই! ঘটনাটা প্রায় তিন বছর আগের। ঋদ্ধিমা তখন প্রেগন্যান্ট। একদিন আমি জিমে, হঠাৎ ওর ফোন। ফোন করেই আবদার, 'হ্যাঁ রে, আমার খুব প্যানকেক খেতে ইচ্ছে করছে। খাওয়াবি?' আমি বিন্দুমাত্র না ভেবে বলেছিলাম, 'হ্যাঁ, চল!' ব্যস! তারপর তিন বছর কেটে গেছে। ধীরের বয়স এখন তিন। শুনেছি, মায়ের মতো ওরও প্যানকেক খুব প্রিয়। অথচ আজ অবধি সেই প্যানকেকটা খাওয়ানো হয়ে ওঠেনি!’
‘দোষ সম্পূর্ণ আমার। কথা দিয়েও কথা রাখতে পারিনি। তবে এত বড় বিশ্বাসঘাতকতার পরেও আমাদের বন্ধুত্বে কোনও চিড় ধরেনি। শুধু দেখা হলেই ঋদ্ধিমা মনে করিয়ে দেয়, 'কী রে, প্যানকেক?' এখন আমার অবস্থা এমন যে, ওকে দেখলেই নিজের অজান্তে অপরাধবোধে ভুগতে শুরু করি!যাই হোক, এত বছর পর আবার একসঙ্গে কাজ করলাম। তাও স্বামী-স্ত্রী হয়ে! কাজের চেয়ে আড্ডা, হাসাহাসি আর পুরনো দিনের গল্পই বোধহয় বেশি হয়েছে। ওই যে বলে না, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে। আমরা অনেকটা সেরকমই। এত বছর পরেও সমীকরণটা একই আছে। কোনও বাড়তি আয়োজন নেই, কোনও অস্বস্তি নেই। যেখানে ছেড়েছিলাম, ঠিক সেখান থেকেই আবার শুরু করা যায়। অনেক ভালোবাসা, ঋদ্ধিমা। আর হ্যাঁ, প্যানকেকটা খাওয়াব। এবার সত্যি বলছি। যদিও আমার এই প্রতিশ্রুতির বাজারদর যে এই মুহূর্তে শূন্য, সেটা আমি খুব ভালো করেই জানি’, আরও লেখেন অনিন্দ্য।
আর ঋদ্ধিমা এই পোস্টে কমেন্ট করলেন, ‘অনেক অনেক ভালোবাসা। বাকি কথা হোয়াটসঅ্যাপে হচ্ছে’। আর বন্ধুর এই মন্তব্যের জবাবে অনিন্দ্য লিখলেন, ‘অনেক ভালোবাসি। মাইরি বলছি এবার দেখা হলেই প্যানকেক খাওয়াব।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


