‘শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত…’! পরিবারে দুঃসংবাদ, ভেঙে পড়েছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা
দীর্ঘ সময় ধরে সম্পর্কে আছেন অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলা। এবার তাঁদের জীবনেই নেমে এল দুঃসবাদ। হারালেন পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় এক সদস্যকে।
পোষ্য মৃত্যুর দুঃসংবাদ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন অঙ্কুশ হাজরা ও ঐন্দ্রিলা সেন। আর তারকাদের ঘরে এমন বিষাদের খবরে মনখারাপ নেটিজেনদেরও। বৃহস্পতিবারই মারা যায় অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলার সাধের বাবলা। বেশ রাতের দিকে প্রথমে অভিনেতা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেন সেই দুঃসংবাদ।

অঙ্কুশ লিখলেন, ‘আজ আমি আমার পৃথিবী হারিয়ে ফেললাম... আমার জীবন, আমার প্রায় সবকিছুই। ওপারে ভালো থেক, বাবলা। এখন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল তোকে ছাড়া বাকি জীবনটা কাটানো... প্লিজ, তুই আবার জন্ম নিয়ে আমার জীবনে ফিরে আয়... তোকে আমরা সবসময় এভাবেই ভালোবেসে যাব, আমার সোনা।’
অঙ্কুশের এই পোস্টে জন ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, ‘খুব দুঃখ পেলাম এই খবর শুনে। বাবলার আত্মা চিরশান্তিতে থাকুক! অঙ্কুশ দা, সে আত্মিকভাবে সবসময় তোমার সাথে থাকবে।’ অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, ‘খুব কষ্ট এই সময়টায়’। মিমি লেখেন, ‘চিরঘুমের দেশে শান্তিতে থাকো সোনা’। তৃণা সাহা, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, মিমি দত্ত-রাও অঙ্কুশের পোস্টে সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার বেলার দিকে বাবলার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে ঐন্দ্রিলা লিখলেন, ‘আজ থেকে তোকে আর ছুঁতে পারব না, ডাকলে তুই আর আমার কাছে ছুটে আসবি না। এই সত্যিটা মেনে নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। তোর ছোট ছোট অভ্যাস, তোর চোখের দিকে তাকানো, তোর পাশে থাকা—সবকিছু আজ আমার কাছে স্মৃতি হয়ে গেল। আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তোকে ধরে রাখতে চেয়েছিলাম। যদি ভালোবাসা দিয়ে কাউকে বাঁচিয়ে রাখা যেত, তাহলে তুই কোনোদিনই আমাকে ছেড়ে যেতে পারতিস না। বাবলা তুই আমার জীবনের একটা অংশ ছিলি, আছিস, আর চিরকাল থাকবি।’
ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর খবরে সমবেদনা প্রকাশ করে রোহন ভট্টাচার্য লিখলেন, ‘বাবলা তোমাকে পেয়ে যেমন ভাগ্যবান ছিল, তেমনি তুমিও তাকে পেয়ে ভাগ্যবান ছিলে। এই ছবিগুলোতে তোমাদের দুজনের মধ্যকার ভালোবাসা কত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। আমি জানি, আমার কথায় এই কষ্ট হয়তো কমবে না; তবে আশা করি, তোমাদের কাটানো সুন্দর স্মৃতিগুলো তোমাকে কিছুটা হলেও সান্ত্বনা দেবে। বাবলা সবসময়ই তোমার হৃদয়ের একটি অংশ হয়ে থাকবে। তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসা ও উষ্ণ আলিঙ্গন জানাচ্ছি।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


