‘শান্ত ছেলে শৌর্য, দুজনের মধ্যে ডানপিটে আমিই’! লিখলেন অন্তরা, কী করেন গায়িকার বর
২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বিলাসবহুল ব্যাঙ্কোয়েটে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ বাঙালি রীতি মেনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অন্তরা ও শৌর্য। নিজেকে ‘ডানপিটে’ হিসেবে বর্ণনা করে, বরকে নিয়ে কী লিখলেন গায়িকা?
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে সাতপাকে বাধা পড়েন গায়িকা অন্তরা মিত্র। কলকাতাতেই নিকট আত্মীয়, বন্ধুদের উপস্থিতিতে চার হাত এক হয় দুজনের। অন্তরার বর শৌর্য বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত নন। বরং পেশায় তিনি আইটি কর্মী। বুধবার ফেসবুকে একাধিক ছবি দিয়ে বরের গুণগান গাইলেন অন্তরা।

শৌর্যের সঙ্গে ভিভিন্ন মুডের চারটি ছবি শেয়া করে অন্তরা লিখলেন, ‘যথেষ্ট জ্বালাই। তবুও সহ্য করে থাকে...। এই যেমন আজ সকালে এমন দেরিতে ঘুম ভাঙল, বিনা টিফিনে অফিস চলে গেল। এখন এই ভরদুপুরে টিফিন নিয়ে যাচ্ছি অফিসে দিতে। শান্ত ছেলে শৌর্য। দুজনের মধ্যে ডানপিটে আমিই।’
অন্তরার পোস্টে ভালোবাসায় ভরিয়েছেন নেটিজেনরা। একজন লেখেন, ‘এই রকম একটু জ্বালাতন করলে ভালোবাসা বাড়ে’। আরেকজন লেখেন, ‘ক্যাপশনটা যেমন মিষ্টি, তেমনি ছবিগুলো। অনেক ভালোবাসা।’ অন্যজন লেখেন, ‘এভাবেই ভালো থেকো দুজনে।’ চতুর্থ কমেন্টে লেখা হয়, ‘এটা চিরন্তন সত্য। একজন ডানপিটে হলে, আরেকজন খুবই শান্ত হয়। সেই কারণেই তো এই দাম্পত্য জীবন। তবে যে শান্ত, সে বড়োই অভিমানী হয়, মাথায় রাখতে হবে।’
মছলন্দপুরের মেয়ে অন্তরা শুধু টলিউডে নয়, বলউডেও নিজের নাম করেছেন। ২০০৬ সালে ইন্ডিয়ান আইডল থেকেই নজর কাড়েন এই অন্তরা। অন্তরার প্রথম বড় ব্রেক শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত দিলওয়ালে ছবির রং দে তু মোহে গেরুয়া গানটি। এরপর বলিউড থেকে টলিউড, দক্ষিণের বহু ছবিতেই গান গাইতে দেখা গিয়েছে অন্তরাকে। এরপর বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম চর্চিত গান কিশোরীতে রথীজিৎ-এর সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন অন্তরা। তাঁকে সারেগামাপা-তে বিচারকের আসনেও দেখা যাচ্ছে।
২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বিলাসবহুল ব্যাঙ্কোয়েটে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ বাঙালি রীতি মেনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অন্তরা ও শৌর্য। বিয়ের দিন লাল বেনারসি ও গা-ভরা সোনার গয়নায় একদম সাবেকি বাঙালি কনের সাজে নজর কেড়েছিলেন অন্তরা। বিয়ের ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘আমি আর শৌর্য ❤️। আজ থেকে জীবনের নতুন পথচলা শুরু। জীবন আমাদের যেখানেই নিয়ে যাক, একসঙ্গে থাকব— এটাই আমাদের একমাত্র প্রতিশ্রুতি। আমরা বিয়ে করলাম।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


