ফের দুঃসংবাদ টলিপাড়ায়। পিতৃহারা হলেন অভিনেতা অনুজয় চট্টোপাধ্যায়। শোকের ছায়া অভিনেতার পরিবারে। বুধবার সকালে বাবাকে হারান অনুজয়। মৃত্যুকালে অভিনেতার বাবার বয়স হয়েছিল ৬৫। তবে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এই ঘটনা মেনে নেওয়া বেশ কঠিন, কারণ, অনুজয়ের বাবা খুব যে অসুস্থ ছিলেন তেমনটা নয়। তাহলে কী হয়েছিল তাঁর? কী জানাচ্ছে পরিবার?
আনন্দবাজার ডট কম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনুজয়ের স্ত্রী দেবারতি চক্রবর্তী বলেন, ‘সম্ভবত ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল। বৈদ্যবাটি থেকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে আসি কলকাতায় চিকিৎসার জন্য। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করানো হয় কাকুকে। ভেবেছিলাম পালমোনোলজিস্ট দেখিয়ে সঠিক পথে চিকিৎসা করানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন এটা যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে। খুবই আকস্মিক মৃত্যু। এর পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়ানো যায়নি কাকুকে। আইসিইউয়ে দেওয়া হয়। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল কাকুকে। আজ সকালে আমাদের জানানো হয় কাকু আর নেই।’
৬ জুন হাসপাতালে বাবাকে ভর্তি করান অনুজয়। ইমারজেন্সি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তারপর তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। প্রথম দিকে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন তিনি। এই চিকিৎসায় তিনি কিছুটা সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। তারইর ৮ জুন তাঁর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার কথাও ছিল। কিন্তু তখনই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন বলে চিকিৎসক জানান। এরপর আইসিইউয়ে দেওয়া হয়। তারপর ভেন্টিলেশন। শেষে বুধবার জানানো হয় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
কাজের সূত্রে, অনুজয়কে বড় পর্দা থেকে ওটিটি সর্বত্র দাপটের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়। অন্যদিকে, তা স্ত্রী দেবারতিকে মঞ্চাভিনয়েই বেশি দেখা যায়।