Anumegha Kahali: আবদার-দুষ্টুমির আশ্রয়স্থল, ‘কাবুলিওয়ালা’ মিঠুনের জন্মদিনে মিষ্টি শুভেচ্ছা অনুমেঘার
Anumegha Kahali: খুব সাধারন ঘরের একজন ছেলে হয়েও শুধুমাত্র পরিশ্রম এবং অদম্য ইচ্ছের জন্য আজ তিনি মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। নামিদামি ব্যক্তিত্বদের সাথে চুটিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
Anumegha Kahali: খুব সাধারন ঘরের একজন ছেলে হয়েও শুধুমাত্র পরিশ্রম এবং অদম্য ইচ্ছের জন্য আজ তিনি মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। নামিদামি ব্যক্তিত্বদের সাথে চুটিয়ে কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু যে মানুষটা একসময় রাজত্ব করতেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে, তাতে কখনও বিন্দুমাত্র অহংকার বোধ তৈরি হয়নি তাঁর মনে। তিনি আজও ততটাই নমনীয় এবং মিশুকে। নতুন কোনও শিল্পী হোক অথবা ছোট্ট খুদে, সকলের সঙ্গে সকলের মতো করে মিশে যেতে পারেন তিনি আর সেই জন্যই সকলের প্রিয় অভিনেতা মিঠুন।

বিগত কিছু বছরে শিশু শিল্পী হিসাবে অনুমেঘা কাহালির সঙ্গে বেশ কয়েকটি প্রজেক্টে কাজ করেছেন মিঠুন। মিঠুন ওরফে প্রিয় দাদুভাইয়ের জন্মদিনে তাই একটা মিষ্টি শুভেচ্ছাবার্তা জানালো অনুমেঘা। কাজ করতে গিয়ে যেমন বর্ষিয়ান অভিনেতার থেকে কাজের শিক্ষা পেয়েছে ছোট্ট অনুমেঘা তেমন কাজের ফাঁকে দুষ্টুমি বা আবদারের জায়গাও ছিলেন মিঠুন।
আরও পড়ুন: সায়নীর ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে সমানে আসছে নোটিফিকেশন, 'বাঁচতে দিন...', কাতর আর্তি মলির
‘কাবুলিওয়ালা’ ছবি হোক অথবা ‘প্রজাপতি ২’, মিঠুনের সঙ্গে বারবার স্ক্রিন শেয়ার করতে গিয়ে কখন যে দাদু নাতনির মতো সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছে দুজনের মধ্যে, তা যেন নিজেই বুঝতে পারেনি অনুমেঘা। মিঠুনের খাবারে ভাগ বসানো হোক অথবা কপট ঝগড়া, শুটিং ফ্লোর হোক অথবা মেকআপ ভ্যান, এক মুহূর্তের জন্যও অনুমেঘাকে মিঠুন বুঝতে দেননি তিনি কত বড় সুপারস্টার। কত বড় মাপের মানুষ। আর মিঠুনের এই ব্যবহারই তাঁকে বারবার সকলের থেকে আলাদা করেছে।
তাই মিঠুনের জন্মদিনে শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি অভিনেতার সঙ্গে কাটানো ছোট ছোট মুহূর্ত শেয়ার করেছে অনুমেঘা। শরীর খারাপ হলে মহাগুরুর খোঁজ নেওয়া হোক অথবা মায়ের কাছ থেকে মার খেয়েছে শুনে উল্টে মাকেই বকে দেওয়া, বিগত কিছু বছরে কত শত স্মৃতি তৈরি হয়েছে তা এক কথায় প্রকাশ করা যায় না, তবুও তার মধ্যে কিছু নিজের লেখার মধ্যে তুলে ধরেছে ছোট্ট অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন: 'আমরা সবাই স্বার্থপর রাক্ষস...', হঠাৎ রুক্মিণীর এমন মন্তব্য করার কারণ কী?
লেখার শেষে মহাগুরুর সুস্থতা কামনা করে অনুমেঘা লিখেছে, ‘শুভ জন্মদিনের অনেক অনেক প্রণাম আর আদর নিও। খুব ভালো থেকো, সুস্থ থেকো। তোমাকে আরও অনেক সিনেমাতে দেখতে চাই। এভাবেই আমাদের অনুপ্রাণিত করুক এবং বাংলা ও ভারতীয় চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করে তোলো।’
E-Paper

