৩য় বিয়ে থেকে বাবা হলেন অনুপম রায়, সন্তান প্রশ্মিতার কোলে! ছেলে হল না মেয়ে?
বাবা হলেন অনুপম রায়। ২০২৪ সালের ২ মার্চ গায়িকা প্রশ্মিতা পালকে বিয়ে করেছিলেন। আর এবার দম্পতির কোলে এল সন্তান।
জনপ্রিয় গায়ক ও সংগীত পরিচালক অনুপম রায় ২০২৪ সালের ২ মার্চ গায়িকা প্রশ্মিতা পালকে বিয়ে করেন। আর বিয়ের ২ বছর পর সংসারে এলেন নতুন সদস্য। গায়ক নিজেই সুখবর ভাগ করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এটি ছিল অনুপম রায়ের তৃতীয় বিয়ে। অত্যন্ত ঘরোয়া ও কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে তাদের রেজিস্ট্রি ও আইনি বিয়ে সম্পন্ন হয়।

প্রশ্মিতার সঙ্গে যৌথভাবে একটি কার্ড শেয়ার করেন অনুপম। যেখানে লেখা, ‘আমরা আনন্দিত এই ঘোষণা করতে পেরে যে আমাদের একটি ছেলে হয়েছে’।
প্রশ্মিতা সন্তানসম্ভবা এমন খবর ছিল আগেই। যদিও গোটা ব্যাপারটা গোপনই রেখেছিলেন দুজনে। আপাতত অনুপম ও প্রশ্মিতার ছেলে হওয়ার খবরে উৎফুল্ল তাঁদের অনুরাগীরা। অনুপমের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন শুভেচ্ছাবার্তা।
প্রসঙ্গত, এটি ছিল অনুপমের তৃতীয় বিয়ে। দুজনেই সংগীত জগতের মানুষ হওয়ায় তাদের মধ্যে বহুদিনের জানাশোনা ছিল। বন্ধুত্বের সম্পর্ক থেকে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেগন্যান্সির মতো প্রেমের খবরও চাপা রাখার বহু চেষ্টা করেছিলেন। তবে ওই যে, ছাইচাপা আগুনের মতো এসব খবর ছড়িয়েই পড়ে। প্রশ্মিতার আগে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বর্তমান স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে ৫ বছরের দাম্পত্য ছিল অনুপমের।
২০২১ সালে অনুপমের সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী পিয়ার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এমনকী মাত্র দু মাসের ব্যবধানে নতুন করে সংসার পাতেন পিয়া-পরমব্রত ও অনুপম-প্রশ্মিতা। কাকতালীয়ভাবে গত বছর জুন মাসে পুত্র সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন পরমব্রত আর পিয়া। আর এবার অনুপম-প্রশ্মিতাও যোগ দিলেন টলিপাড়ার বেবি বয় গ্রুপে।
২০১২ সালে 'বোঝেনা সে বোঝেনা' ছবির 'সাজনা' গানে প্লেব্যাক করে খ্যাতি পান প্রশ্মিতা। এই গানটির জন্য তিনি ২০১৪ সালে রেডিও মির্চি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে সেরা উদীয়মান গায়িকার পুরস্কারও পান। 'বোঝেনা সে বোঝেনা' ছাড়াও তিনি 'ওপেন টি বায়োস্কোপ' ছবিতেও গান গেয়েছেন প্রশ্মিতা। সঙ্গে 'উড়ান' নামের একটি ব্যান্ডের লিড ভোকালিস্ট।
প্রসঙ্গত, সোনালি জরির কাজের বেনারসি পরেছিলেন প্রশ্মিতা বিয়ের দিন। গলায় চোকার, লম্বা চেইন এবং কানে ঝুমকো। চুলের খোঁপায় ছিল জিপসি ফুল। আর এদিন অনুপম পরেছিলেন বেইজ রঙের পাঞ্জাবি। যাতে স্ত্রীর শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি সুতোর সুদৃশ্য কাজ করা ছিল। আর বিয়ের ছবি শেয়ার করে গায়ক সেইসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন, ‘নতুন করে’। অর্থাৎ বাউন্ডুলে ঘুড়ি পেয়েছে নিজের ঘর। আর সেই ঘরেই একঝলক খুশির হাওয়া হয়ে প্রবেশ তাঁদের ছেলের।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


