‘যেখানে ইমনদি থাকে সেখানে একটু বেশিই…’! একসঙ্গে ভাগ নিয়েছেন তাঁরা রাঁধুনি না কাঁদুনিতে, হঠাৎ কেন এমন লিখলেন অন্বেষা?
শুরুর দিন থেকেই খ্যাতি পাচ্ছে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’। যেখানে কাঞ্চন, সৌরভ, দর্শনা, রূপাঞ্জনা, উষসী, সুস্মিত, অন্বেষা, শ্রীময়ীর মতো তারকাদের দেখা যাচ্ছে।
সোনি আটে সদ্য শুরু হয়েছে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’। আর একদম অন্য স্বাদের এই শো ইতিমধ্যেই কেড়ে নিয়েছে দর্শকদের মন। ইতিমধ্যেই হিন্দিতে এই আদলেই ‘লাফটার শেফস’ শোটি বেশ জনপ্রিয়। বাংলাতেও শুরুর দিন থেকেই খ্যাতি পাচ্ছে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’। যেখানে কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টরাজ মল্লিক, সৌরভ দাস, দর্শনা বণিক, ইমন চক্রবর্তী, সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, রূপঞ্জনা মিত্র, উষসী রায়, সুস্মিত মুখোপাধ্যায়, অন্বেষা হাজরা, শ্যামৌপ্তি মুদলি, আরজে সায়ন (RJ Sayan)। প্রতিযোগীদের দুজনের টিমে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্বেষাকে বিগত কয়েকদিন দেখা গিয়েছিল ইমনের টিমে। তবে শেষ এপিসোডে ইমনের সঙ্গে দেখা যায় সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়কে। আর ইমনের উদ্দেশে অন্বেষা লিখলেন, ‘ইমনদি… কথায় বলে না আমরা ‘না মিশলে কেউ বুঝবে না’। কিন্তু ইমনদির ক্ষেত্রে ওর সঙ্গে মিশলেও কেউ বুঝতে পারবে না। ইমনদি ঠিক কতটা গুণী একজন শিল্পী সেটা আর আলাদা করে আমি কী বা বলব। কিন্তু রাঁধুনি না কাঁদুনি-তে একসাথে কাজ করতে গিয়ে আমি শুধু অবাক হয়ে ওকে দেখেছি…. এতো সিম্পল, এতো ভালো, এত সরল একজন মানুষ। কোন দিন বুঝতে দেয়নি ফ্লোরে ‘ইমন চক্রবর্তী’-এর মতো একজন ব্র্যান্ড আছে। She is the Best।’
‘এখানে আমরা সবাই আছি… কিন্তু যেখানে ইমনদি থাকে সেখানে একটু বেশিই ইমন দিই থাকে’, আরও লিখলেন অন্বেষা নিজের পোস্টে। আর এই মিষ্টি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মন কেড়ে নিয়েছে ইমনেরও। তিনি লিখলেন, ‘ওলে আমার সোনা রে। ইউ আর দ্য সুইটেস্ট সোনা। মিস ইউ টু।’ প্রসঙ্গত, পুজো উপলক্ষে একাধিক দেশে পারফর্ম করতে শহর ছেড়েছেন ইমন। সঙ্গে রয়েছেন স্বামী নীলাঞ্জনও। প্রায় মাসখানেক তিনি থাকবেন দেশের বাইরে। আর সেই কারণে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’ শো থেকেও নিয়েছেন সামান্য বিরতি।
রাঁধুনি না কাঁদুনি পরিচালনা করছেন রাজ চক্রবর্তী। শো শুরুর আগে সাংবাদিক বৈঠকে রাজকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘বাংলা ইন্ডাস্ট্রির শিল্পীদের মধ্যে প্রতিভার অভাব নেই, বরং তাঁদের বহুমুখী দক্ষতা অনেক সময় সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয় না। এই শোয়ের মাধ্যমে সেই প্রতিভাগুলিকে একসঙ্গে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এই শো দেখতে গিয়ে দর্শকদের হয়তো বিভিন্ন ভাষার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শোয়ের কথা মনে পড়তে পারে। তবে এটি তৈরি করা হয়েছে ‘ওয়াসপ কুক অফ আমেরিকা’ নামের একটি অনুষ্ঠানের স্বত্ব নিয়ে। নন-ফিকশন ঘরানার এই শোয়ের প্রতিটি পর্বকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে গল্পের মতোই দর্শকরা উপভোগ করতে পারেন প্রতিটি মুহূর্ত। রান্নার পাশাপাশি থাকছে হাসি-মজা, প্রেম, ঝগড়া, আবেগ আর কান্না—সব মিলিয়ে বিনোদনের এক জমজমাট পরিবেশ।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


