Aratrika-Abhishek: জোয়ার ভাঁটার বেডরুম রোম্য়ান্সে মজে দর্শক, জানেন আরাত্রিকা-অভিষেকের প্রথম আলাপ কবে?

Aratrika-Abhishek: অনস্ক্রিন বিছানায় গদগদ প্রেম! ‘জোয়ার ভাঁটা’র উজি-ঋষি জুটির রসায়নে তোলপাড় নেটপাড়া, চপের দোকানে প্রথম আলাপের গল্প জানেন?

Published on: Jun 30, 2026, 19:41:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় এই মুহূর্তে অন্যতম চর্চিত ও জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘জোয়ার ভাঁটা’। আর এই ধারাবাহিকের মুখ্য জুটি ‘উষি’ (উজি ও ঋষি)—অর্থাৎ অভিনেত্রী আরত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity) এবং অভিনেতা অভিষেক বীর শর্মা (Abhishek Veer Sharma)-র রসায়ন দর্শকদের চোখে পলক পড়তে দিচ্ছে না। সম্প্রতি পর্দায় এই অনস্ক্রিন জুটির বিছানায় গদগদ প্রেমের একটি রোম্যান্টিক ঝলক আসতেই নেটপাড়ায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জোয়ার ভাঁটার বেডরুম রোম্য়ান্সে মজে দর্শক, জানেন আরাত্রিকা-অভিষেকের প্রথম আলাপ কবে?
জোয়ার ভাঁটার বেডরুম রোম্য়ান্সে মজে দর্শক, জানেন আরাত্রিকা-অভিষেকের প্রথম আলাপ কবে?

বাস্তব জীবনে তাঁদের প্রেম নিয়ে হাজারো চর্চা চললেও, আরাত্রিকা ও অভিষেক বহুবার স্পষ্ট করেছেন যে তাঁরা স্রেফ ভালো বন্ধু। তবে তাঁদের এই অভূতপূর্ব অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রির নেপথ্যে রয়েছে বহু পুরনো এক চপের দোকানের গল্প! জানেন কি, এই মেগা শুরু হওয়ার বহু আগে থেকেই তাঁরা পরস্পরকে চেনেন?

চিকেন পকোড়া কিনতে গিয়ে প্রথম আলাপ!

অনেকেই ভাবেন ‘জোয়ার ভাঁটা’র সেটেই হয়তো প্রথম দেখা হয়েছিল এই জুটির। কিন্তু আদতে তা নয়। এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরত্রিকা নিজেই ফাঁস করেছিলেন তাঁদের প্রথম আলাপের সেই মজার কাহিনী।

স্মৃতি হাতড়ে আরত্রিকা বলেছিলেন, ‘আমি অভিষেককে ২০২০ সাল থেকে চিনি। আমরা কলকাতার রানিকুঠির একই পাড়াতে থাকতাম। দুজনেই সেখানে ভাড়া বাড়িতে থাকতাম। পাড়ার চপের দোকানে চিকেন পকোড়া কিনতে গেলে প্রায়ই আমাদের দেখা হতো। হ্যাঁ, চিকেন পকোড়া খেতে গিয়েই আমাদের প্রথম আলাপ!’

সমবয়সী হওয়ায় দ্রুত ‘জেলআপ’

একই পাড়ার বাসিন্দা হওয়া এবং প্রথম স্ট্রাগলিং পিরিয়ডের আলাপ হওয়ার কারণে কাজের ক্ষেত্রে তাঁদের সমীকরণটা অত্যন্ত সহজ। আরত্রিকার মতে, চেনা পরিচিতি আগে থেকে থাকায় ক্যামেরার সামনে রোম্যান্টিক দৃশ্য করতে গিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনও দিনই কোনও কুণ্ঠাবোধ কাজ করেনি।

তাঁদের এই চমৎকার বন্ধুত্বের বিষয়ে অভিনেত্রী আরও যোগ করেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা প্রায় একই সময়ে বিনোদন জগতে আমাদের ক্যারিয়ার শুরু করেছি। আর আমরা সমবয়সী হওয়ায় আমাদের মধ্যে জেলআপটা (বন্ডিং) খুব দ্রুত এবং দারুণভাবে হয়ে যায়।’

বাস্তব জীবনের প্রেমচর্চা বনাম অনস্ক্রিন ম্যাজিক

পর্দায় উজি ও ঋষির প্রেম দেখে ভক্তরা যতই ‘বাস্তবেও প্রেম করছেন’ বলে ধরে নিন না কেন, তারকারা একে বন্ধুত্ব বলেই দাগিয়ে দিয়েছেন। তবে তাঁদের এই অফ-স্ক্রিন সহজ বন্ধুত্বটাই অন-স্ক্রিন ম্যাজিক হিসেবে ফুটে উঠছে প্রতি নিয়ত, যার লেটেস্ট ঝলক দেখে অনুরাগীরা বলছেন— ‘প্রেম থাক বা না থাক, এই জুটির থেকে চোখ ফেরানো দায়!’

সম্প্রতি নৃত্যশিল্পী ডোনার সঙ্গে অভিষেকের প্রেম নিয়েও কম জল্পনা হয়নি। কারুর নাম না করেই নিজের প্রেমজীবন নিয়ে অভিষেক জানান, 'গোলাপ দেওয়া মানেই প্রেম নয়, ওটা একটা বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ’।

ট্রোলার এবং অতি-উৎসাহী ভক্তদের একহাত নিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস নিয়ে আমি প্রচুর পোস্ট দেখতে পাচ্ছি। কারও জন্মদিনে গোলাপ দেওয়া বা উপহার পাঠানো মানেই এই নয় যে তারা একে অপরের প্রেমে পাগল! এটা একটা সাধারণ বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণও হতে পারে। দয়া করে আপনারা যে সমস্ত আবর্জনা রটানো শুরু করেছেন, সেগুলো বন্ধ করুন। প্লিজ!’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More