‘ভণ্ড মানুষের আসল রং বোঝা যায়…’, পোস্ট আরাত্রিকার! জোয়ার ভাঁটা-র সেটে কিছু হল?
সোশ্যাল মিডিয়ায় আরাত্রিকার পোস্ট দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন, কার দিকে ইঙ্গিত করে এমন কথা লিখল জোয়ার ভাঁটার ‘উজি’? ব্যক্তিগত বা পেশাগত জায়গায় কিছু হল। নাকি নিছকই মনের কথা তুলে ধরেছেন ফেসবুকের দেওয়ালে।
জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ ঝারাবাহিক দিয়ে এই মুহূর্তে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন আরাত্রিকা মাইতি। এই ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রের নাম উজি। জোয়ার ভাঁটা-য় মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন আরও এক অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। তাঁর চরিত্রের নাম নিশা। দুই বোনের গল্প প্রথমথেকেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সঙ্গে আরাত্রিকা আর শ্রুতির অফস্ক্রিন কেমিস্ট্রিও। তবে সোশ্য়াল মিডিয়ায় আরাত্রিকা বা শ্রুতি আজকাল কোনো পোস্ট করলেই, তা জুড়ে দেওয়া হচ্ছে অন্যজনের সঙ্গে। এবার যেমন আরাত্রিকা ভণ্ড বা কপট মানুষের পাঠ পড়ালেন, আর কিছু নিন্দুকের মনে প্রশ্ন, নিশানায় শ্রুতি নয় তো?

আরাত্রিকা ফেসবুকে লেখেন, ‘ভন্ড বা কপট মানুষদের আসল রং তখনই বোঝা যায়, যখন আপনার প্রয়োজন তাঁদের ফুরিয়ে যায়’। কদিন আগেও এমনটা হয়েছিল। আরাত্রিকার বলা কিছু কথার সঙ্গে শ্রুতির নাম জড়িয়ে তৈরি হয়েছিল বড় বিতর্ক। এমনকী, এটাও রটে গিয়েছিল যে জোয়ার ভাঁটার সেটে নাকি দুজনের মধ্যে বেশ একটা ঠান্ডা লড়াই চলছে। অর্থাৎ সামনে বন্ধুত্ব থাকলেও, পিছনে রেষারেষি। পরবর্তীতে, শ্রুতি ও আরাত্রিকা দুজনেই সেই ভুল ভাঙান। স্পষ্ট করে দেন, এর সঙ্গে তাঁদের দুজনের মধ্যেকার সম্পর্কের কোনো যোগসূত্র নেই।
আরাত্রিকা তাঁর অভিনয়ের জার্নি শুরু করেন বেশ অল্প বয়সে। জি বাংলার বিখ্যাত ধারাবাহিক করুণাময়ী রাণী রাসমণি-তে একটি ছোট চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এরপর সান বাংলায় প্রচারিত অগ্নিশিখা ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়। তবে আরাত্রিকাকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায় তাঁর খেলনা বাড়ি ধারাবাহিকে মিতুল চরিত্রটি। তারপর আসেন দর্শকদের সামনে মিঠিঝোরা-র রাই হয়ে। আপাতত কাজ করছেন জোয়ার ভাঁটা-তে।
তবে শুধু আরাত্রিকা আর শ্রুতির জুটি নয়, জোয়ার ভাঁটায় জনপ্রিয়তা পেয়েছে আরাত্রিকা ও অভিষেক বীর শর্মা-র কেমিস্ট্রিও। টলিপাড়ায় কানাঘুষো রিল লাইফ রোম্যান্স নাকি গড়িয়েছে রিয়েল লাইফেও। যদিও এসব জল্পনা-কল্পনা বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন দুজনে। বরং একে-অপরকে ভালো বন্ধু হিসেবে দাবি করে জানিয়েছেন, দুজনেরই ফোকাস এখন কেরিয়ারে। তবে আরাত্রিকা বা অভিষেকের দাবি মানতে নারাজ তাঁদের অনুরাগীরা।
প্রসঙ্গত, মিঠিঝোরা শেষ হওয়ার পর বড় পর্দাতেও কাজ করে ফেলেছেন আরাত্রিকা। তাঁকে দেখা গিয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি লহ গৌরাঙ্গের নাম রে-তে। যেখানে তিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রথম স্ত্রী লক্ষ্মীপ্রিয়া-র চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দর্শকদের মনও কেড়েছেন এই কাজ দিয়ে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


