Aratrika-SaReGaMaPA: মাধ্যমিকে দারুণ ফল সারেগামাপা-খ্যাত আরাত্রিকার! কত শতাংশ নম্বর পেলেন খুদে কমরেড?
নিজের সুরেলা গলা দিয়ে গোটা বাংলার মন জয় করে নিয়েছিলেন আরাত্রিকা সিনহা ২০২৪ সালের সারেগামাপা চলাকালীনই। তবে সংগীত চর্চার পাশাপাশি পড়াশোনাও কিন্তু চালিয়ে গিয়েছেন। যার প্রমাণ মিলল মাধ্যমিকের ফলাফল আসতেই। কত শতাংশ নম্বর পেলেন খুদে কমরেড?
বঙ্গে ভোট মিটটেই শুক্রবার ৯ মে প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল। জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষার ফল প্রকাশ, স্বভাবতই বেশ দুরুদুরু বুকে থাকেন পরীক্ষার্থীরা। চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন সারেমাগামা-খ্যাত আরাত্রিকা সিনহা। নিজের সুরেলা গলা দিয়ে গোটা বাংলার মন জয় করে নিয়েছিলেন বহু আগেই। তবে সংগীত চর্চা পাশাপাশি পড়াশোনাও কিন্তু চালিয়ে গিয়েছেন। ফলপ্রকাশের পরই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন ‘খুদে কমরেড’।

আরাত্রিকা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন ৫০১। বুঝতে সমস্যা হয় না, নিজের ফলাফলই ভাগ করে নিলেন অনুরাগী, শুভান্যুধায়ীদের সঙ্গে। অর্থাৎ প্রায় ৭১.৫৭ শতাংশ নম্বর এসেছে তাঁর ঝুলিতে। অর্থাৎ ফার্স্ট ডিভিশনে পাশ করলেন দশম শ্রেণির বোর্ডের পরীক্ষা।
আরাত্রিকার এই পোস্টে তাঁকে ভালোবাসায় ভরালেন অনুরাগীরা। একজন লেখেন, ‘শুভেচ্ছা! খুব ভালো হয়েছে।অনেক বড় হয়ে ওঠ।’ অন্য আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। খুব ভালো থাকিস। তোর গান ও পড়াশোনা দুটোতেই সেরা হয়ে ওঠ বাবু।’ অন্যজন লেখেন, ‘অভিনন্দন ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আগামীতে এই ধারা অব্যাহত থাকুক।’ আরেকজন লেখেন, ‘শুভেচ্ছা রইল। আগামী এক্সামগুলো আরও ভালো করতে হবে... তার সাথে অবশ্যই সঙ্গীতকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে’।
২০২৪ সালে সারেগামাপা-র ফাইনালে উঠলেও, ট্রফি জিততে পারেননি আরাত্রিকা। চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিলেন। তবে বিজেতার শিরোপা না পেলেও, হাতে এসেছিল কালিকাপ্রসাদ সম্মান। তখন নবম শ্রেণির ছাত্রী আরাত্রিকা। গানের প্রতিযোগিতার কারণে বেশ কয়েকমাস লেখাপড়া করে উঠতে পারেননি ঠিক করে। যদিও পরিবারের তরফ থেকে কখনোই সেভাবে পড়াশোনা নিয়ে চাপ দেওয়া হয়নি। বরং, আত্মীয় থেকে অভিভাবক, সকলেই তাঁকে গান নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ জুগিয়ে এসেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে এক সাক্ষাৎকারে আরাত্রিকা জানিয়েছিলেন, ‘ফাইনলের পর (সারেগামাপা-র) বাড়ি এসে, আমি তো গভীর চিন্তায় চলে যাচ্ছিলাম এবারে কীভাবে সামাল দেব। একটা বিশাল বড় ডিস্ট্র্যাকশন হয়ে গিয়েছিল। আবার সেই রুটিনে ফিরে আসা। এই স্কুল যাওয়া, টিউশন যাওয়া। পুরনো অভ্যেস আয়ত্তে আনতে কিছুটা তো সময় লাগছে। তবে আসতে আসতে মানিয়ে নিতে হচ্ছে। তবে অবশ্যই, গানের রেওয়াজ আমি করছি। করবও। আর আমার বাড়িতে অন্তত কখনো এরকম হবে না যে, সবাই বলবে ‘তোর তো মাধ্যমিক আসছে, রেওয়াজ একটু ছাড়। পড়াশোনায় মন দে’। এসব কখনো ওঁরা বলবে না। আমার মাথাতেও আসবে না। গান আর পড়শোনা, দুটোই সমানতালে সামলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।’
ইতিমধ্যে একটি সিনেমায় প্লেব্যাকও করে ফেলেছেন আরাত্রিকা সিনহা। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফ থেকে গায়িকার জন্য অনেক অভিনন্দন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


