Aratrika Sinha: রাজের সিনেমায় গেয়েছেন সারেগামাপা-খ্যাত আরাত্রিকা, কোথায় শোনা যাবে খুদে কমরেডের গান?
আরাত্রিকা সিনহা একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন বুধবার। যেখানে সারেগামাপা-খ্যাত গায়িকা জানিয়েছেন, রাজের সিনেমায় গান গাওয়ার কথা।
সারেগামাপা দিয়ে খ্যাতির শীর্ষে উঠেছেন আরাত্রিকা সিনহা। ২০২৪-২৫ সালে জি বাংলা সারেগামাপা-র ট্রফি জিতে পারেননি অবশ্য, তবে ফাইনাল অবধি পৌঁছেছিলেন। সঙ্গে পান ‘কালিকাপ্রসাদ সম্মান’। ইতিমধ্যেই প্লে ব্যাকের দুনিয়াতেও ঢুকে পড়েছেন আরাত্রিকা। এমনকী, রাজ চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকটিও তিনিই গেয়েছেন।

আরাত্রিকা একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন বুধবার। যেখানে তাঁকে ‘হোক কলরব’ টিমের সঙ্গে দেখা যায়। রাজ, শুভশ্রী, শাশ্বতদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন বাঁকুড়ার মেয়ে। এরপর পৃথক একটি পোস্টে আরাত্রিকা করলেন কারণ খোলসা। লিখলেন, ‘হোক কলরব সিনেমার টাইটেল গানটা আমিই গেয়েছি l’
আর দেখা গেল আরাত্রিকার এই সাফল্যে বেশ খুশি তাঁর অনুরাগীরা। একজন লিখলেন, ‘রাজ চক্রবর্তী ঠিক মানুষের দিয়ে ঠিক গান গাইয়েছে। হোক কলোরব স্লোগানটা তোমার পছন্দের দাদা-দিদিদের আওয়াজ।’ আরেকজন লেখেন, ‘এভাবেই এগিয়ে যাও। জানি তুমি সফল হবেই।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘এটা তো তোমার পেশা! কেনো গাইবে না? তৃনমুলের রাজ চক্রবর্তী পরিচালক বলে, তাঁর ছবিতে তুমি গান গাইবে না তা তো হতে পারে না। আর মুভির স্টোরি লাইনের দায়ভারও তোমার উপর বর্তায় না। গো অ্যাহেড সাথী।’ আরেকজন লেখেন, ‘গানটা শুনেছি। খুব ভালো লেগেছে।’
আরাত্রিকার গানের জগতেই বেড়ে ওঠা বলা চলে। খুব ছোট বয়স থেকেই গান শিখছিলেন। একসময় দাদুর সঙ্গে বামেদের গণসমাবেশে হাজির হতেন, গান গাইতেন। সারেগামাপা-য় অবশ্য তাঁর গলায় আধুনিক থেকে জীবনমুখী গান, মেঠো শুর, রবীন্দ্রসংগীত, বলিউড, সবই শুনেছেন দর্শকরা। আর তা মনও জয় করে নিয়েছে সকলের। ভার্সেটাইল সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রমাণ করেছেন নিজেকে বারংবার। চলতি বছরেই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন। মাঝে পড়াশোনার কারণে মাস দেড়েকের ছোট্ট বিরতিও নিয়েছিলেন।
হোক কলরব সিনেমা প্রসঙ্গে:
রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় প্রযোজিত হোক কলরব নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। টিজারের একটি সংলাপ ও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে চরম বিতর্কের মুখে পড়ে। শাশ্বতকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘নমস্কার, আমি ক্ষুদিরাম চাকী। না, আমি ঝুলি না, ঝোলাই!’ এর কারণে রাজকে আইনি নোটিশও পাঠানো হয়েছিল। এমনকী, ছবির নাম নির্বাচন নিয়ে তাঁর রাজনৈতিক দল তৃণমূলের অন্দর থেকেও নানা রকম বিতর্কিত কথা শোনা গিয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মুক্তি পায় সিনেমাটি, যদিও সেভাবে বক্স অফিসে সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি রাজের সিনেমা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


