Sushmita-Saheb: সাহেবের সঙ্গে বিয়েটা কবে? প্রশ্নে জেরবার সুস্মিতা! পিছনে লাগলেন ঋদ্ধিমা-অঙ্গনাও
টেলিপাড়ায় এখন বিয়ের মরসুম। চর্চা খুব শীঘ্রই নাকি চারহাত এক হতে চলেছে কথা জুটি সাহেব-সুস্মিতার। বিয়ের সানাই বাজল বলে, সত্যিটা কী? প্রশ্ন শুনে লাজে রাঙা সুস্মিতা।
পর্দার রহস্য সমাধান করতে নেমেছিলেন ঠিকই, কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত জীবনের রহস্য নিয়ে যে এভাবে নাজেহাল হতে হবে, তা হয়তো ভাবেননি সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ‘কুহেলি’ সিরিজের প্রচার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই ধেয়ে এল সেই অমোঘ প্রশ্ন— “বিয়ের সানাই কি তবে বাজল বলে? সুখবর কবে মিলছে?”

সুস্মিতার হাসি বনাম সহ-শিল্পীদের গুগলি:
বিয়ের প্রশ্ন শুনেই চেনা ছকে হাসিমুখে তা এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন সুস্মিতা। কিন্তু পাশে যদি ঋদ্ধিমা ঘোষ, অঙ্গনা রায় বা পরিচালক অদিতি রায়ের মতো ‘দুষ্টু’ বন্ধুরা থাকেন, তবে পার পাওয়া কি এতই সহজ? সুস্মিতা যখন বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাইছেন, ঠিক তখনই সটান পরিচালক অদিতি রায় বলে বসলেন, “আমিও কিন্তু চারদিকে এমনটাই শুনছি!” পরিচালকের এই মন্তব্যে তখন রীতিমতো অপ্রস্তুত নায়িকা।
ঋদ্ধিমার মোক্ষম চাল ও ‘এভি’ রহস্য:
সবচেয়ে মজার ছকটি কষলেন ঋদ্ধিমা ঘোষ। সুস্মিতার পা টানতে তিনি হঠাৎ প্রশ্ন করেন, “আচ্ছা বল তো, অডিও ভিস্যুয়ালকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?” সরল মনে সুস্মিতা উত্তর দেন, “এভি” (AV)। ব্যস! উত্তর পাওয়া মাত্রই হাসির রোল ওঠে সবার মধ্যে। সুস্মিতা বুঝতে পারেন, ঋদ্ধিমা আসলে ‘কথা’ ধারাবাহিকের নায়ক অর্থাৎ সাহেবের নাম তাঁর মুখ দিয়ে কৌশলে বলিয়ে নিলেন। সুস্মিতার বোকা বনে যাওয়ার অভিব্যক্তি তখন দেখার মতো!
সাহেব-সুস্মিতা রসায়ন:
সাহেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে সুস্মিতার বন্ধুত্বের কথা ইন্ডাস্ট্রিতে কারো অজানা নয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি সেই জল্পনাকে বারবার উস্কে দিয়েছে। এবার সহ-শিল্পীদের এই প্রকাশ্য ‘লেগপুলিং’ যেন সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল। সুস্মিতা বারবার মুখ লুকোনোর চেষ্টা করলেও, অঙ্গনা থেকে ঋদ্ধিমা— কেউ তাঁকে ছাড়তে নারাজ।
‘কুহেলি’র রহস্যের সমাধান সিরিজে হবে ঠিকই, কিন্তু সাহেব-সুস্মিতার বিয়ের রহস্যের সমাধান কবে হবে? আপাতত সেই ‘এভি’ মন্ত্র জপেই দিন গুনছেন ভক্তরা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


