Arijit-Koyel: ভোট দিলেন অরিজিৎ-কোয়েল! ‘কিছু বলুন’ অনুরোধে হেসে গড়িয়ে পড়লেন, ‘লোকে ভাববে নেতা হতে চাইছি…’
ভোট দিলেন গায়ক অরিজিৎ চক্রবর্তী। কাজের জন্য বেশ কয়েকবছর ধরে মুম্বইয়ের বাসিন্দা হলেও, নিজের স্থায়ী ঠিকানা বদলাননি তিনি। জিয়াগঞ্জে ভোট দিলেন গায়ক সস্ত্রীক।
হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট। ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট ছিল এদিন। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর-এর কিছু আসনে, আর মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলা সবকটি আসনে ভোট হল বৃহস্পতিবারে।

আর প্রথম দফাতেই ভোট দিলেন গায়ক অরিজিৎ চক্রবর্তী। কাজের জন্য বেশ কয়েকবছর ধরে মুম্বইয়ের বাসিন্দা হলেও, নিজের স্থায়ী ঠিকানা বদলাননি তিনি। আর প্রতিবারের মতো এবারেও নিজের নাগরিক দায়িত্ব করলেন পালন। স্ত্রী কোয়েলকে সঙ্গে নিয়ে দিলেন ভোট মুর্শিদাবাদ জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত জিয়াগঞ্জ থেকে।
বরাবরই তিনি মাটির মানুষ। বাহুল্যতার ধারেকাছে ঘেঁষেন না! এদিনও একদম সাদামাটা গায়ক। পরে ছিলেন নীল রঙের কুর্তা আর ডেনিম। কোয়েলকে দেখা গেল চুড়িদারে। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার পর, ছবি শিকারীরা যখন তাঁকে কিছু বলার অনুরোধ করে একপ্রকার হেসে গড়িয়ে পড়েন।
‘আমি এখন ভোটের মধ্যে কী বলব! লোকে ভাববে আমি নেতা হতে চাইছি’! বলেন অরিজিৎ। এরপর হেসে গড়িয়ে পড়ার অবস্থা। আর বরের কাণ্ড দেখে কোয়েলও বেশ মজা পান। হাসি ফোটে তাঁর মুখেও। সবচেয়ে মিষ্টি ব্যাপার হল, যখন এই এত্ত কথা হচ্ছিল, তখনও বউয়ের হাতটা ধরে ছিলেন শক্ত করে।
আরজিকর কাণ্ডের সময় শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। একাধিকবার পোস্ট এসেছিল তাঁর আনঅফিসিয়াল টুইটর অ্যাকাউন্টে। এমনকী তাঁর গাওয়া আর কবে গানটি প্রতিবাদের কণ্ঠ হয়ে উঠেছিল।
প্রসঙ্গত, অরিজিতের বাবা সুরিন্দর সিং একজন পাঞ্জাবি শিখ এবং মা অদিতি সিং ছিলেন একজন বাঙালি হিন্দু। তাঁর পৈতৃক পরিবার দেশভাগের সময় লাহোর থেকে এসে জিয়াগঞ্জে থিতু হয়। এলাকায় তিনি সোমু নামে পরিচিত। এখনো ঘরের ছেলে হয়েই থেকে গিয়েছেন। কখনোই অরিজিৎকে ঘিরে থাকে না কোনো নিরাপত্তারক্ষীর ভিড়। বরং তিনি একাএকা কখনো স্টেশন, কখনো বাজার, কখনো ছেলেদের আনতে চলে যান।
মাত্র ৩ বছর বয়স থেকে অরিজিৎ সঙ্গীতের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন। ধীরেন্দ্র প্রসাদ হাজারির কাছে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং রাজেন্দ্র প্রসাদ হাজারির কাছে তবলা শিখেছিলেন। ফেম গুরুকূল নামের রিয়েলিটি শো থেকে প্রচারের আলোয় আসেন প্রথম। এরপর আশিকি ২ তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। অরিজিতের বর্তমান স্ত্রী কোয়েল রায় তাঁর ছোটবেলার বন্ধু ও প্রতিবেশী। তাঁদের দুই ছেলে, জুল আর অলি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


