Arijit Singh Restaurant: থালি শুরু মাত্র ৪০ টাকা থেকে! কেন জিয়াগঞ্জে খুলেছেন হোটেল, খোলসা অরিজিতের বাবার

জিয়াগঞ্জে হেঁশেল নামক একটি রেস্তোরাঁ চালান অরিজিৎ সিং-এর বাবা কক্কর সিং। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গায়কের বাবা জানান, হঠাৎ কেন এমন ইচ্ছে হয়েছিল তাঁর। 

Published on: Jul 10, 2026, 10:30:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সারা দেশের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন অরিজিৎ সিং তাঁর স্বল্প দিনের কেরিয়ারেই। শুধু গায়িকি দিয়ে নয়, বরং অরিজিৎকে তাঁর অনুরাগীরা ভালোবাসে তাঁর স্বভাবের কারণে। এত বড় তারকা, কয়েক কোটি টাকার ব্যাঙ্কব্যালেন্সেও এক ফোঁটা বদলাননি। সাধারণের মতো জীবন কাটান। একটা বেশ পুরনো স্কুটি চেপে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে। সেখানকার স্কুলেই লেখাপড়া করে গায়কের দুই ছেলে জুল ও অলি। তাঁকে ঘিরে না আছে কোনো বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা। না আছে কোনো আড়ম্বর। কাজ ছাড়া মুম্বইতে থাকতেও পছন্দ করেন না বিশেষ।

অরিজিৎ সিং-এর বাবা জিয়াগঞ্জে একটি রেস্তোরাঁ খুলেছেন, নাম হেঁশেল।
অরিজিৎ সিং-এর বাবা জিয়াগঞ্জে একটি রেস্তোরাঁ খুলেছেন, নাম হেঁশেল।

জিয়াগঞ্জের মানুষের জন্য একটি রেস্তোরাঁ খুলেছেন অরিজিতের বাবা কক্কর সিং। যেখানে এখনো মধ্যবিত্তের নাগালে খাবারের দাম। বিরিয়ানি থেকে নুডলস, চিলি চিকেন থেকে মটন কষা, সব ধরনের খাবারই মেলে জলের দামে।

তা হঠাৎ কেন জিয়াগঞ্জে রেস্তোরাঁ খোলার কথা মাথায় এল? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে খোলসা করলেন অরিজিতের বাবা। হ্যাংলা হেঁশেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কক্কর সিং বলেন, ‘আমাদের এই পিছনে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ আছে। ওখানকার ছাত্ররা দেখতাম কেউ ঝালমুড়ি, কেউ চানাচুড় খাচ্ছে। তো বাড়িতে গিয়ে সোমু (অরিজিৎ সিং-এর ডাক নাম)-র মাকে গল্প করছিলাম। একটা যদি হোটেল করতে পাড়ি ছাত্রদের জন্য। অল্পসল্প দামে খাবার পাওয়া যাবে। ওর মা বলল তুমি সোমুর সঙ্গে একবার কথা বলো। আমি বললাম, সোমুও রাজি হয়ে গেল। বলল, তোমার যখন ইচ্ছে খুলে নাও।’

কক্কর সিং জানালেন, এসি ও নন এসি দুই ধরনের বসার জায়গা আছে তাঁর রেস্তোরাঁ হেঁশেলে। নন এসি-তে খাবারের দাম কম রাখা হয়েছে মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখে। প্রসঙ্গত, আগে হেঁশেলে আগে ৩০ টাকায় পাওয়া যেত ভেজ থালি, বর্তমানে যদিও তা বাড়িয়ে ৪০ করা হয়েছে। যদিও এই দাম শুধুমাত্র JCET-র পড়ুয়াদের জন্য। স্পেশাল ভেজ থালির দাম পড়বে ৬০ টাকা। যেখানে ভাত-ডাল-ভাজা-দুরকমের তরকারি দেওয়া হবে। অমলেট থালি খেতে পারবেন সেখানে ৯০টাকায়।

আর কেউ যদি বিরিয়ানি খেতে চান তাহলে দাম দিতে হবে মাত্র ১৫০ টাকা। এছাড়াও মেনুতে রয়েছে জিরা রাইস ১৩০ টাকা, পোলাও ১৫০ টাকা, কাশ্মীরি পোলাও ২০০ টাকা। এগ ফ্রায়েড রাইস ১৪০। চিকেন কষা ১৬০ টাকা, মটন কষা ১৭০ টাকা, চিকেন টিক্কা ২৪০ থেকে শুরু।

এক সাক্ষাৎকারে কক্কর সিং জানিয়েছিলেন যে, অরিজিৎ জিয়াগঞ্জে থাকলে মাঝেসাঝেই নিজের রোস্তোরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করেন। এমনকী, তখন জানাও থাকে না যে সে খাবার যাবে অরিজিতের কাছে। আসলে গায়ক মাঝেসাঝে পরীক্ষা করে দেখে নেন, খাবারের গুণগত মান ঠিক আছে কি না!

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১৯ মে অরিজিৎ সিং-এর মা অদিতি সিং ৫২ বছর বয়সে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর, হঠাৎ সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় তাঁর। আপাতত জিয়াগঞ্জে স্ত্রী কোয়েল, দুই ছেলে ও বাবাকে নিয়ে থাকেন গায়ক।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More