Arijit-Asha: কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে…, অরিজিতের গলায় ‘আশা’র সুর! কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য গায়কের, ভাইরাল ভিডিয়ো
Arijit Singh Update: সুরের কোনো কাঁটাতার নেই, নেই সময়ের বাঁধন। যখন অরিজিৎ সিং-এর গলায় কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের সুর ঝরে পড়ে, তখন তা কেবল গান থাকে না, হয়ে ওঠে এক আধ্যাত্মিক মুহূর্ত।
মঞ্চে তিনি থাকলে গিটারের ঝঙ্কার আর তাঁর দরাজ কণ্ঠই যথেষ্ট। কিন্তু সেই অরিজিৎ সিং যখন শ্রদ্ধাবনত হয়ে কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের গান ধরেন, তখন শ্রোতাদের চোখের কোণ ভিজে উঠতে বাধ্য। সম্প্রতি অরিজিতের একটি পুরোনো কনসার্টের ভিডিও ক্লিপ ফেসবুকে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে আশাজির গাওয়া চিরন্তন এক গানের কলি শোনা যাচ্ছে অরিজিতের জাদুকরী কণ্ঠে।

কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে
ভাইরাল হওয়া সেই ক্লিপে দেখা যাচ্ছে, এক জনাকীর্ণ স্টেডিয়ামে গিটার হাতে আশাজির জনপ্রিয় গান কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে গাইছেন অরিজিৎ। গায়কের নিজস্ব ঘরানায় আশার সুর যেন এক নতুন প্রাণ পেয়েছে। ভিডিওটি পুরোনো হলেও, সেটি দেখার পর নেটিজেনদের মনে হচ্ছে আশা ভোঁসলের জন্য এর চেয়ে ভালো শ্রদ্ধার্ঘ্য আর কী বা হতে পারে। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘অরিজিতের গলায় আশাজির গান মানেই আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।’ অন্য এক অনুরাগী লিখেছেন, ‘এই ভিডিওটি যতবার দেখি, ততবারই নস্টালজিক হয়ে পড়ি।’
সদ্য প্রয়াণের শোকাতুর আবহে
সম্প্রতি আশাজির প্রয়াণের খবরে সংগীত মহলে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, সেই আবহে এই থ্রো-ব্যাক ভিডিওটি যেন ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার মতো কাজ করছে। যদিও অনুষ্ঠানটি আগের, কিন্তু অরিজিতের কণ্ঠে সেই গানের আবেগ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে নতুন প্রজন্মের কাছেও ‘আশা’র আলো কতটা উজ্জ্বল। জিয়াজগঞ্জের ভূমিপুত্র যে বরাবরই পুরোনো দিনের গানের কদর করেন, তা এই ভিডিওটি আরও একবার প্রমাণ করে দিল।
ভাইরাল নেটদুনিয়ায়
ফেসবুক রিলসে এই ছোট ক্লিপটি ঝড়ের গতিতে শেয়ার হচ্ছে। অরিজিতের গায়কী আর আশাজির সুরের সেই অমোঘ মেলবন্ধন দেখে আবেগঘন হয়ে পড়েছেন সংগীতপ্রেমীরা। গানের প্রতিটি ভাঁজে যেন লুকিয়ে রয়েছে এক বিষণ্ণতা আর আলোর স্বপ্ন।
গত রবিবার ৯২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন আশা ভোঁসলে। শেষ হয় ভারতীয় ফিল্মি সঙ্গীতের একটা অধ্যায়। কিন্তু নিজের গায়েকীর মাধ্যমে আশা ভোঁসলে তাঁর কোটি কোটি ভক্ত হৃদয়ে চিরকাল অমর থাকবেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


