কখনো ছাড়বেন না মমতা-অভিষেকের হাত! তৃণমূলের যুব সভাপতি হয়েই ঘোষণা অর্ণবের
তৃণমূল দলে বিশেষ পদে আসীন হলেন টলিপাড়ার এক চেনামুখ। সায়নীর পর তৃণমূলের যুব সভাপতির পদে আসীন অর্ণব বন্দ্য়োপাধ্যায়।
তৃণমূলের অন্তরে এখন ভোলদবলের পালা। বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় নাম লিখেয়েছেন সায়নী ঘোষ। এতদিন মমতা বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। সে যাই হোক, এরইমাঝে তৃণমূল দলে বিশেষ পদে আসীন হলেন টলিপাড়ার এক চেনামুখ। সায়নীর পর তৃণমূলের যুব সভাপতির পদে আসীন অর্ণব বন্দ্য়োপাধ্যায়।

তৃণমূলের হারের পরেও দিদির জয়গান শোনা গিয়েছে অর্ণব ও তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী ময়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতে। তবে এখনো যারা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে, তারাই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দলের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে। কেন এমন কঠিন পরিস্থিতিতে, রাজনীতির জগতের কোনো দুঁদে ব্যাক্তিত্বকে দেওয়া হল না দায়িত্ব। সেই টলিপাড়া থেকেই বেছে নেওয়া হল তারকা মুখকে।
আর যুব তৃণমূলের নতুন সভাপতি দায়িত্ব নিয়েই অর্ণব এক সাক্ষাৎকারে আজকালকে বললেন, বর্তমানে দলের জন্য সময়টা কিছুটা কঠিন হলেও তাঁর বিশ্বাস, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনাই তাঁর প্রধান ভরসা। তাঁদের দেখানো পথ অনুসরণ করে এবং নির্দেশ মেনে যুব সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সঙ্গে অর্ণব আরও জানান যে, কলেজে পড়ার সময় থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কলেজে পড়াকালীন, ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই সময় রাজ্যে বামফ্রন্টের শাসন চলছিল এবং কলেজে এসএফআইয়ের প্রভাব কমানোর আন্দোলনে যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে তিনিও অন্যতম ছিলেন বলে দাবি করেন।
তিনি আরও জানান, অভিনয় তাঁর পেশা হলেও রাজনীতি তাঁর কাছে কখনও পেশা নয়; বরং এটি তাঁর আবেগ, ভালোবাসা এবং আদর্শের জায়গা। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও অনুরাগ রয়েছে এবং তাঁর পরেই রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অর্ণব বারংবার স্পষ্ট করেছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে যাবেন না।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


