‘ঘুমের মধ্যেই…', আশা ভোঁসলের মৃত্যু প্রসঙ্গে যা বললেন তাঁর নাতি

কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে গত ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হন। এবার তাঁর নাতি তাঁর শেষ মুহূর্ত প্রসঙ্গে নানা কথা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আশা কোনও রকম কষ্ট ছাড়াই ঘুমের মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এবং ‘নিজের ইচ্ছাতেই বিদায় নিয়েছেন’।

Published on: Apr 24, 2026, 18:59:45 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কিংবদন্তী গায়িকা আশা ভোঁসলে গত ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে প্রয়াত হন। এবার তাঁর নাতি তাঁর শেষ মুহূর্ত প্রসঙ্গে নানা কথা ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আশা কোনও রকম কষ্ট ছাড়াই ঘুমের মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এবং ‘নিজের ইচ্ছাতেই বিদায় নিয়েছেন’।

‘ঘুমের মধ্যেই…' আশা ভোঁসলের মৃত্যু প্রসঙ্গে যা বললেন তাঁর নাতি
‘ঘুমের মধ্যেই…' আশা ভোঁসলের মৃত্যু প্রসঙ্গে যা বললেন তাঁর নাতি

স্ক্রিন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশা ভোঁসলের নাতি চিন্টু তাঁর ঠাকুমার শেষ মুহূর্ত নিয়ে মুখ খুলেছেন এবং তাঁদের পরিবার কীভাবে এই শোক সামলাচ্ছে তা জানিয়েছেন।

আশা ভোঁসলের সঙ্গে তাঁর শেষ কথোপকথনের কথা স্মরণ করে চিন্টু জানান, তাঁর মৃত্যুর মাত্র তিন-চার দিন আগে কী কথাটি হয়েছিল তাঁর সঙ্গে। তাঁরা একসঙ্গে আম খেতে খেতে ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

গায়িকার শেষ দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে তাঁর নাতি বলেন, ‘তিনি আগের দিন তিন ঘণ্টার একটি মারাঠি নাটক দেখতে গিয়েছিলেন। তিনি মঞ্চে উঠে শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা প্রসঙ্গে নানা কথা বলেছিলেন। একেবারে শেষ পর্যন্ত তিনি এমনই ছিলেন। তিনি সম্ভাব্য সবচেয়ে সুন্দর ভাবে চলে গিয়েছেন, ঘুমের মধ্যে, কোনও যন্ত্রণা ছাড়াই, মৃত্যুর সময়ও তিনি শান্ত ছিলেন। আসলে, আমরা বলেছিলাম যে আমরা হাসপাতালে আসব, কিন্তু তিনি বলেছিলেন, ‘আমাকে কিছুক্ষণ ঘুমাতে দাও।’ তিনি নিজের শর্তেই চলে গিয়েছেন, যেভাবে তিনি জীবনযাপন করতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা একটা ক্ষতি। আমরা সবাই জানি যে আমরা চিরকাল বাঁচব না, কিন্তু যখন এমনটা ঘটে, তখন তা বেশ বড় একটা ধাক্কা দেয়। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ওঁর জীবনকে স্মরণ করার। জনাই ভীষণ মন মরা হয়ে আছে, ও একেবারে ভেঙে পড়েছে। ওঁরা খুব ঘনিষ্ঠ ছিল। ওঁর গান গাওয়া এবং বড় হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে আই-এর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ও বড় হওয়ার পর থেকে ওঁরা একসঙ্গে অনেক অনুষ্ঠান করেছে। সবাই একেবারে ভেঙে পড়েছে। এক পর্যায়ে আমরা ভেবেছিলাম কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, কিন্তু আমরা আশা আই-এর কাছ থেকেও দারুণ অনুপ্রেরণা পেয়েছি।’

চিন্টুর কথায়, ‘একজন মা হিসেবে তিনি দুটি সন্তানকে হারিয়েছেন, যা একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয়, কিন্তু তিনি অবিচল ভাবে, দৃঢ় সংকল্প নিয়ে তা কাটিয়ে উঠেছেন। তিনি সব সময় বলতেন, ‘তোমাকে মানিয়ে নিতে হবে, খারাপ সময় আসবেই, সময় সব ক্ষত সারিয়ে দেবে।’ আমরা সবাই ওঁর এই কথাটার দিকে তাকিয়ে ভাবি, দেখো তিনি কীভাবে সামলেছেন। এটা যদি আমাদের অনুপ্রাণিত না করে, তাহলে আর কী করবে?’