Asha Bhosle Last Rites: ফের মাতৃহারা! ডুকরে কাঁদলেন সচিন, শেষযাত্রায় জাতীয় পতাকায় মোড়া আশার নিথর দেহ
চোখের জল বাঁধ মানল না! আশা ভোঁসলেকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে কেঁদে ফেললেন সচিন।
সাত দশকের সুর-সফর এদিন থমকে গেল শিবাজি পার্কে। লতা মঙ্গেশকরের পর এবার চিরতরে স্তব্ধ হয়ে গেল তাঁর ছোট বোন আশা ভোঁসলের কণ্ঠ। ভারতের এই অমূল্য রত্নকে সম্মান জানাতে কেন্দ্র ও মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শেষযাত্রায় আশাজির মরদেহ ছিল জাতীয় পতাকায় সযত্নে মোড়া। দেশমাতৃকার ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকায় ঢাকা সুরের দেবীর সেই রূপ দেখে উপস্থিত জনতা অশ্রুসজল নয়নে বিদায় জানালেন তাঁদের প্রিয় ‘আশা তাই’-কে।

সচিনের চোখের জল
সুরের জগতের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে নিজেকে সামলাতে পারলেন না মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। সচিন বরাবরই আশার স্নেহভাজন ছিলেন। গায়িকাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানতে সচিন হাজির হয়েছিলেন লোয়ার প্য়ারোলে আশার বাসভবনে। এদিন সচিনকে দেখা গেল এক কোণে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। তাঁর চোখের জলই বলে দিচ্ছিল, এ কেবল এক শিল্পীর বিদায় নয়, এ এক অভিভাবকের প্রস্থান। জাতীয় পতাকায় মোড়া আশাজির মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে মাথা নত করে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। বারবারই আশা তাইয়ের থেকে মাতৃস্নেহ পেয়েছেন সচিন। অসুস্থতা সত্ত্বেও মাস খানেক আগেই সচিন-পুত্র অর্জুনের বিয়েতে হাজির হয়েছিলেন প্রয়াত গায়িকা। সেটাই ছিল আশা তাইয়ের শেষ পাবলিক অ্যাপিয়ারেন্স।
একটি যুগের চিরন্তন মহাপ্রয়াণ
শিবাজি পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তোপধ্বনির মাধ্যমে গান-স্যালুট দিয়ে বিদায় জানানো হবে আশাজিকে। শ্মশান চত্বরে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতির হেভিওয়েট থেকে বিনোদন জগতের নক্ষত্ররা। সচিনের এই শোক যেন সেই ব্যক্তিগত শ্রদ্ধাকে এক জাতীয় শোকে পরিণত করল।
আশা ভোঁসলের প্রয়াণ
শনিবার গভীর রাতে আশা ভোঁসলের অসুস্থতার খবর উদ্বেগ বাড়িয়েছিল অনুরাগীদের। বেশি সময় দেননি। রবিবার দুপুর গড়াতেই পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলে আশা ভোঁসলে। রেখে গেলেন তাঁর অফুরান গানের ভাণ্ডার।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


