SaReGaMaPa: ‘দিদিয়া সবসময়…’, আয়ুষকে শুভেচ্ছা সায়ন্তনীর! সারেগামাপার ফল নিয়ে অখুশি নেটপাড়া
বাংলা সারেগামাপা ২০২৬-এর প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করলেন আয়ুষ গুপ্ত, গীতশ্রী চৌধুরী ও সৃজন পোড়েল। চতুর্থ স্থানে থাকা সায়ন্তনী ঘোষকে দেওয়া হয় মোস্ট স্টাইলিশ পারফর্মার-এর খেতাব। যাতে বেষশ অসন্তুষ্ট সায়ন্তনীর অনুরাগীরা।
রবিবার ছিল বাংলা সারেগামাপা-র গ্র্যান্ড ফিনালে। এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন র্যাপ কিং মিকা সিং। সঙ্গে টলিউডের তারকাদেরও চাঁদের হাত। ঋতুপর্ণা থেকে প্রসেনজিৎ দেখা গেল প্রচুর তারকা মুখকে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করলেন আয়ুষ গুপ্ত, গীতশ্রী চৌধুরী ও সৃজন পোড়েল। এদিকে, মোস্ট স্টাইলিশ পারফর্মার তকমা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে সায়ন্তনী ঘোষকে। তবে এতে বেশ মনোক্ষুন্ন সায়ন্তনীর অনুরাগীরা।

ফেসবুকে সারেগামাপা-র ফাইনালের ছবি শেয়ার করে সায়ন্তনী লিখলেন, ‘আমার প্রাণের মঞ্চ। শতকোটি প্রণাম এই মঞ্চকে যে এতদিন ধরে আমার পা-টাকে ধারণ করেছে , সেই মানুষগুলোকে প্রণাম যারা আমাকে এই মঞ্চে উঠে দাঁড়াতে দিয়েছে... আর প্রণাম জানাই আপনাদের সকলকে যারা এতদিন আমাকে আগলে রেখেছিলেন।’ সঙ্গে আরও লিখেছেন, ‘আপনাদের আশীর্বাদ ছিল বলেই হয়তো ফাইনালের মঞ্চে গলা কাঁপেনি, নির্ভয়ে গাইতে পেরেছি। এই গোটা জার্নিতে কারোর মনে দুঃখ দিয়ে থাকলে, তার জন্য দুঃখিত। অনেকে আমার থেকে গানের অনেক আবদার করেছেন, সেগুলো এই মঞ্চে সম্ভব হয়নি, অন্য মঞ্চে নিশ্চয়ই শোনাব, কথা দিলাম...’!
একটি পৃথক পোস্টে সারেগামাপা ২০২৬-এর বিজেতা আয়ুষকেও জানালেন শুভেচ্ছা। লিখলেন, ‘হে চ্যাম্পিয়ন! ছোট্টু, অনেক অনেক অভিনন্দন। দিদিয়া সবসময় তোর পাশেই আছে...।’
যদিও সায়ন্তনীর প্রথম তিনে না থাকা নিয়ে মনখারাপ তাঁর অনুরাগীদের। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আয়ুষ কে নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই, তবে বাংলার অনুষ্ঠানে আয়ুষের কন্ঠে সেই অর্থে দুর্দান্ত বাংলা গান শুনলাম না, যেটা সবার কন্ঠেই শোনা গিয়েছে এবং হিন্দি বাংলা দুটোতেই তোমার দক্ষতা তুমি দেখিয়েছো। ফাইনালে তূ্মি কিন্তু তুলনামূলক ভাবে সবার থেকে ভালো খুব ভালো পারফর্ম করেছো এবং পুরো সিজনে তোমার ধারাবাহিকতা খুবই প্রশংসনীয়। যুগ্মভাবে তোমাকে ২য় করাই যেতো, কর্তৃপক্ষ কেন দিলেন না?’ আরেকজন লিখলেন, ‘বিচার খুব খারাপ হয়েছে।আয়ুষ চাম্পিয়ন ঠিক আছে। কিন্তু সায়ন্তনীর সঙ্গে এটা ঠিক হল না!’ অন্য আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘আয়ুষ প্রথম আর সৃজন তৃতীয় একদম ঠিক আছে… কিন্তু তুমি দ্বিতীয় পজিশন ডিজার্ভ করো। এই বিচারটা একদম মানতে পারছি না। সত্যিই মনটা খারাপ হয়ে গেল।’
হাওড়ার সালকিয়ার এই সাধারণ পরিবারের মেয়েটি তাঁর অসাধারণ মিষ্টি এবং সুরেলা গলার জাদুতে বিচারক ও দর্শকদের মন জয় করে ট্রফির অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছিলেন। সেরা চারে থাকলেও, হাতে এল না ট্রফি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


