Raj Chakraborty: বারাকপুরে ‘সিনেমাতে লোক ঢোকানোর ব্যবসা’ করছিলেন রাজ, বিস্ফোরক দাবি TMC নেতার
Raj-TMC: বিজেপি-র কৌস্তভ বাগচির কাছে বড় মার্জিনে পরাস্ত হন রাজ চক্রবর্তী। আর হার স্পষ্ট বুঝে যখন গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসছিলেন শুভশ্রীর বর, তখন তাঁকে লক্ষ করে কাদা, জুতো ছোড়া হয়। ‘চোর চোর’ চিৎকারও ওঠে। এবার বিদায়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাসের।
Raj-TMC: বাংলায় সোমবার থেকেই গেরুয়া সুনামি। আর বেশিরকভাগ তারকারই পরাজয় হয়েছে নির্বাচনে। দ্বিতীয়বার বারাকপুর কেন্দ্র থেকে ভোটেরটিকিট পেলেও, বেশ বড় ব্যবধানে হার হয় তাঁর। বিজেপির মুখেই ফোটে হাসি। হারের বিপর্যয়ের পাশাপাশি, রাজকে মুখোমুখি হতে হয় নোংরা আক্রমণের। পরিচালকের গায়ে কাদা ছোড়া হয়, এমনকী তাঁকে ঘিরে ‘চোর-চোর’ স্লোগানও ওঠে।

এবার রাজের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ ছুড়ে দিলেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা উত্তম দাস। ‘রাজনৈতিক বহিরাগত’ হিসেবেই সম্বোধন করেন বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান। তাঁর দাবি, গত পাঁচ বছর ধরে রাজ নাকি ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে ‘সিনেমাতে লোক ঢোকানোর ব্যবসা চালিয়েছেন’।
উত্তমের কথাতে দলের এই নেতার প্রতি ক্ষোভ ফুটে ওঠে। বলেন, ‘ও রাজনৈতিক লোক নয়। ধান্দাবাজ লোক। ধান্দা করতে এসেছিল। মানুষ সেটা মেনে নেয়নি। খালি টাকা নিয়ে একে ঢোকাব, ওকে ঢোকাব, এই বিধায়ককে ঢোকাব, ওই সাংসদকে ঢোকাব— সিনেমাতে ঢোকানোর একটা ব্যবসা খুলে বসেছিল কার্যত। ওর জন্যই ব্যারাকপুরে দলের এই হাল’।
এদিকে এই পরাজয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে রাজ চক্রবর্তীর অফিসিয়্যাল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট গায়েব। খুব সম্ভবত পরিচালক নিজেই সেটি ডিঅ্যাক্টিভেট করেছেন। তবে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউনন্টটি আগের মতোই রয়েছে। এদিকে স্বামীর এই পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলতে, অপমানের জবাব দিতে সরব হয়েছেন শুভশ্রী। স্বামীর একগুচ্ছ ছবি দেন তাঁর নিজের সঙ্গে ও তাঁদের দুই সন্তান ইউান-ইয়ালিনির সঙ্গে। ক্যাপশনে লেখেন, ‘তুমি আমাদের সুপারহিরো, আমাদের গর্ব, আমাদের সুপারস্টার, আমাদের ঘর এবং আমাদের সংসারের কেন্দ্রবিন্দু৷’। যদিও সেখানেও ভরে ভরে কটাক্ষই বেশি।
রাজ কিন্তু বেশ রাজকীয় প্রচার চালিয়েছিলেন বারাকপুরে। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে বিপক্ষকে কথার জালেও জড়িয়েছিলেন বেশ কয়েকবার। এমনকী, স্বামীর হয়ে প্রচারে সামিল হয়েছিল শুভশ্রীও। এখানেই শেষ নয়, বর বারাকপুরেই থাকেন সর্বক্ষণ জানিয়ে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ভোটে জেতার পর দুই সন্তান নিয়ে তিনিও চলে আসবেন বারাকপুরে। তবে জনতার রায় থেকেই স্পষ্ট, এসব কথায় চিড়ে ভেজেনি। সিনেমা থেকে রাজনীতি সর্বত্র বড়বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন রাজ। প্রলয়ও করেছেন। তবে এখন দেখার, এই বড় ধাক্কা কাটিয়ে কীভাবে ফেরেন!
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


