Beporoya Teaser: ‘ভালোবাসা মারা গিয়েছে, শ্রাদ্ধ তো করতেই হয়’, প্রেম ছ্যাঁকা খেয়ে ‘বেপরোয়া’ আদৃত! পরিণতি কী?
‘রাগ, দুঃখ, মন খারাপ সব সামলে নেওয়া যায়- কিন্তু ভালোবাসার সবথেকে খারাপ সাইড এফেক্ট হল নিজের সেলফ রেসপেক্ট হারানো’।
প্রতিটি প্রেমের গল্পেরই সূচনা হয় একটি বিশেষ মুহূর্তে—একটা অনুভূতি, অনুভূতির স্পার্ক কিংবা এমন এক ক্ষণ যা এক নিমেষে বদলে দেয় সবকিছু। তবে কিছু প্রেম কেবল রূপকথার অনুভূতির গল্প হয়েই থেমে থাকে না; সময়ের সাথে তা বদলে যায় এক দীর্ঘ যাত্রায়। আর সেই পথচলায় পেছনে ফেলে আসে কিছু কঠিন প্রশ্ন, যা উত্তর দাবি করে। ভালোবাসার সেই জটিল, খাঁটি ও আধুনিক রূপ উঠে আসবে ‘বেপরোয়া’য়।

আবেগ, দ্বন্দ্ব এবং ভালোবাসার গভীর সম্পর্কের ঘাত-প্রতিঘাতের গল্প নিয়ে রুপোলি পর্দায় ফিরছেন আদৃত রায়। প্রায় পাঁচ বছর পর বিগ স্ক্রিনে কামব্যাক আদৃতের।
বড় পর্দায় নতুন জুটি: আদৃত রায় ও আরিয়া রায়
'বেপরোয়া' ছবিতে আদৃতের বিপরীতে বড় পর্দায় অভিষেক হতে চলেছে আরিয়া রায়-এর (Aryaa Ray)। টিজারে আদৃত ও আরিয়া—রসায়ন নজরকাড়া। সম্পর্কের জটিল সমীকরণও উঠে এল পরিচালক অভিরূপ ঘোষের এই ছবিতে। ভালোবাসার পথটা সব সময় মসৃণ হয় না, সেই নিয়েই এগোবে এই ছবির গল্প।
চেনা ছকের বাইরে এক আধুনিক প্রেমের গল্প
প্রথাগত প্রেমের গল্পের বাইরে হেঁটে 'বেপরোয়া' তুলে ধরবে ভালোবাসার আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি। সম্পর্কের টানাপোড়েন, ভেতরের মানসিক উন্মাদনা এবং সম্পর্কের অপ্রত্যাশিত বাঁকগুলোকেই খুব কাঁচা ও নিখুঁতভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। টিজার দেখে অনেকেই এই ছবির মধ্যে ‘কবীর সিং’ ভাইবস খুঁজে পাচ্ছেন। আদৃত ভক্তরা তাঁকে এই ছবিতে ‘নেভার সিন বিফোর’ অবতারে দেখতে পাবেন তা নিশ্চিত।
প্রেমে ছ্যাঁকা খেয়ে কীভাবে বদলে যাবে আদৃতের জীবন, তাই উঠে আসবে বড়পর্দায়। পরিচালক অভিরূপ ঘোষের পরিচালনায় ২০২৩ সালেই এই মিউজিক্যাল লাভ স্টোরির কাজ শুরু হয়েছিল। শোনা গিয়েছিল সেই ছবির নাম নাকি ‘পাগল প্রেমী’। তবে নানা জটিলতায় ছবিটির কাজ থমকে ছিল। সমস্ত বাধা কাটিয়ে অবশেষে 'বেপরোয়া' নামে রূপোলি পর্দায় আসছে এই ছবি। সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পাবে এসভিএফের ব্যানারে তৈরি বেপরোয়া।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


