Star Jalsha Actress: ভরা বর্ষায় চুপিসাড়ে বিয়ে সারলেন স্টার জলসার নায়িকা, পাত্র কে জানেন?
ফেব্রুয়ারিতে রেজিস্ট্রি ও আংটি বদল সারার পর এবার বর্ষাকালে সামাজিক নিয়ম মেনে গাঁটছড়া বাঁধলেন অভিনেত্রী স্বাগতা সেন। পাত্র কে দেখুন-
টেলিভিশনের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী স্বাগতা সেন (Swagata Sen)।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই আইনি বিয়ে ও বাগদান সেরে অনুরাগীদের চমকে দিয়েছিলেন স্টার জলসার ‘ভাগ্যলক্ষ্মী’র রোহিনী। এবার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ভরা বর্ষায় ঘটা করে সামাজিক বিয়ের অনুষ্ঠানও সেরে ফেললেন স্বাগতা।

দেবাশিস ঘোষ-এর সাথে গাঁটছড়া বাঁধলেন স্বাগতা। নতুন জীবনের সূচনায় নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন তাঁদের ভক্ত ও টলিপাড়ার সহকর্মীরা।
ফেব্রুয়ারিতে আইনি বিয়ে ও বাগদান
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই প্রেমিক দেবাশিসের সাথে আইনি বিয়ে ও বাগদান সেরেছিলেন স্বাগতা। অত্যন্ত ঘরোয়া আয়োজনে পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাঁদের আইনি রেজিস্ট্রেশন ও আংটি বদল পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল। তখন থেকেই ভক্তদের কৌতূহল ছিল— কবে পিঁড়িতে বসবেন এই জুটি? অবশেষে সেই বিশেষ দিনটি হাজির হলো এই বর্ষার মরশুমে।
বিয়ের দিনে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সাজ
বিয়ের দিনে এক্কেবারে খাঁটি ট্র্যাডিশনাল বাঙালি সাজে ধরা দিয়েছেন স্বাগতা ও দেবাশিস। স্বাগতা পরেছিলেন টকটকে লাল রঙের বেনারসি শাড়ি, যার সাথে কনট্রাস্ট করে পরেছেন গাঢ় সবুজ ব্লাউজ। ভারী সোনার চোকার, নেকলেস এবং মুক্তোর মালা। কানে মানানসই সোনার ঝোলা দুল ও হাতে সোনার বালা।
কপালে চন্দনের সূক্ষ্ম কারুকার্য, ছোট লাল টিপ, মাথায় শোলার রাজকীয় মুকুট এবং মাথাপট্টি। হালকা হাসি ও মানানসই মেকআপে স্বাগতাকে চমৎকার দেখাচ্ছিল।
বরের লুক:
দেবাশিসের পরনে ছিল অফ-হোয়াইট এবং হালকা সোনালি কাজের সূক্ষ্ম কারুকার্য করা কাজ করা পঞ্জাবি এবং সাথে লাল ধুতি। গলায় পরানো ছিল গোলাপ ও পদ্ম কুঁড়ির সুদৃশ্য মালা এবং মাথায় ঐতিহ্যবাহী শোলার টোপোর।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালোবাসার ঢল
বিয়ের প্রতিটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই মুহূর্তে নেটপাড়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিতে নবদম্পতির হাসিমুখ ও মিষ্টি রসায়ন সবার নজর কেড়েছে। টেলিজগতের সহ-শিল্পী থেকে শুরু করে অনুগামীরা মন্তব্যের ঘরে নবদম্পতিকে আগামীর সুন্দর ভবিষ্যতের শুভকামনা জানিয়েছেন।
হাজির কারা?
স্বাগতার বিয়েতে টলিপাড়ার খুব বেশি চেনা মুখ হাজির না থাকলেও পৌঁছেছিলেন তাঁর ভাগ্য়লক্ষ্মী পরিবারের দুই সদস্য অস্মিতা এবং প্রারব্ধি। এত বছর পরও অস্মিতার সঙ্গে অটুট স্বাগতার বন্ধুত্ব। নায়িকা শার্লির দেখা না মিললেও দেখা গেল তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক মৃত্যুঞ্জয়ের।

কে এই দেবাশিস ঘোষ?
স্বাগতার জীবনসঙ্গী দেবাশিস গ্ল্যামার দুনিয়ার মানুষ না হলেও ব্যবসার জগতে তাঁর বেশ নামডাক। তিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। বিরিয়ানির প্রতি ভালোবাসা থেকে তাঁর নিজস্ব রেস্তোরাঁও রয়েছে।
স্বাগতা ও দেবাশিসের জুটির অন্যতম বড় মিল হলো তাঁদের ভ্রমণের প্রতি নেশা। দুজনেই ঘুরতে পাহাড় বা সমুদ্র— সব জায়গাতেই পাড়ি দিতে ভালোবাসেন। তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে নজর দিলেই বোঝা যায়, কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই তাঁরা একে অপরের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। এবার থেকে শুরু হলো তাঁদের এই চিরস্থায়ী 'ট্রাভেল পার্টনার'-এর সফর। ‘ভাগ্যলক্ষ্মী’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছিল, আর বাস্তবেও তিনি নিজেই দেবাশিসের ‘ভাগ্যলক্ষ্মী’ হয়ে ওঠলেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


