‘এক খাটে শোয়া মানেই কি সম্পর্ক?’, বিগ বস বাংলা থেকে বেরিয়েই নন্দিনী-রাজবীরের প্রেম নিয়ে কটাক্ষ ভরত কলের
৫০ দিনেরও বেশি বিগ বসের ঘরে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন ভরত কল। সঙ্গে নন্দিনী ও রাজবীরের সম্পর্ক নিয়েও খুলেছেন মুখ।
রবিবার বিগ বস বাংলার ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেতা ভরত কলকে। দর্শকদের কম ভোটে শেষ দুইয়ে ছিলেন ভরত ও সোনামণি সাহা। সোনামণি থেকে যান, বিগ বসের ঘরকে টাটা বাইবাই বলতে হয় ভরতকে। ইতিমধ্যেই ৫০ দিনেরও বেশি বিগ বসের ঘরে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন ভরত কল। সঙ্গে নন্দিনী ও রাজবীরের সম্পর্ক নিয়েও খুলেছেন মুখ।

রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে কী বললেন ভরত কল?
ভরতকে যখন প্রশ্ন করা হয় যে, তিনি রাজবীর ও নন্দিনীর প্রেম নিয়ে কী মনে করেন? তখন জানান যে, পুরোটাই ‘মিথ্যে’। বলেন, ‘ফেক ফেক! আমার কাছে যেটা দৃষ্টিকটু সেটা হচ্ছে ও তো বাংলার মেয়ে। বাঙালি মেয়ে। বাড়ি ফিরতে হবে। আত্মীয় স্বজন আছে। কাল এরকম একটা প্ল্যাটফর্মে যদি আমি আমার মেয়েকে ওভাবে দেখি, আমার কী ভালো লাগবে! খেলার জায়গায় তুমি খেলবে। আর প্রেম করার জায়গায় ওই লেকে বা মাঠে, তুমি প্রেম করবে। দুটোকে আলাদা রাখাটা খুব ইম্পর্টেন্ট। আমার মনে হয় এটা টেকার প্রেম না।’
এমনকী ভরতকে এটাও বলতে শোনা যায়, ‘অবশ্যই এটা শো-এর জন্য। এভাবে প্রেম হয় নাকি। চিনলই না একটা মানুষকে। কার কী পছন্দ-অপছন্দ জানলই না। এক খাটে শোয়া মানেই কি সম্পর্ক?’
রাজবীর-নন্দিনীকে ‘শেষ সুযোগ’ দিয়েছেন সৌরভও
এদিকে পুজোর সপ্তাহান্তে দাদার দরবারে চলাকালীন সৌরভ রীতিমতো ক্লাস নেন রাজবীর ও নন্দিনীর। বিশেষ করে, বিগ বস বাংলার ঘরে দুজনের ঘনিষ্ঠতার দিকেই যে মহারাজের ইঙ্গিত ছিল তা বুঝতে সমস্যা হয় না। এমনকী, সোমবারের এপিসোডে নিরঞ্জনের সঙ্গে এই নিয়ে কথাও বলেন নন্দিনী।
নন্দিনীকে নিরঞ্জন বলেন, ‘তোরা যে কোলে বসিস, চুমু খাস, জড়িয়ে ধরিস, আমার মনে হয় দাদার ইঙ্গিত সেদিকেই ছিল।’ যাতে নন্দিনীর যুক্তি ছিল, তাঁর আর রাজবীরের যে বয়স, সেখানে ভালোলাগার সঙ্গে ফিজিক্যাল ইনটিমেসি এসেই যায়।
এই সপ্তাহে নমিনেশনে নন্দিনী-রাজবীর
গত সপ্তাহে খাবার নষ্ট করার জন্য বিগ বস ২ সপ্তাহের জন্য নিমিনেট করে রাজবীরকে। এদিকে, সোমবারের এপিসোডে সোনামণি নমিনেট করে নন্দিনীকে। চলতি সপ্তাহে রাজবীর-নন্দিনী ছাড়াও নমিনেশনে রয়েছেন সজলা ও তনুশ্রী। আপাতত তনুশ্রীরই ভোট আউট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ক্যাপ্টেন্সির দৌড়ে রয়েছেন সৌরভ, নিরঞ্জন, সৃজলা ও নন্দিনী।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


