Bhoot Bangla BO Day 3: ৩ দিনেই কেল্লাফতে! বক্স অফিসে অক্ষয়ের ‘ভূত বাংলা’র দাপট, আয় কত?
অক্ষয় কুমারের জন্য ২০২৬ সালটা যেন শাপে বর হয়ে এল! একের পর এক ফ্লপের খরা কাটিয়ে বক্স অফিসে ফিরল ‘খিলাড়ি’র ম্যাজিক। প্রিয়দর্শন-অক্ষয় জুটি মানেই যে প্রেক্ষাগৃহে হাসির রোল আর টাকার বৃষ্টি, তা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ‘ভূত বাংলা’ (Bhooth Bangla)।
প্রবাদ আছে, ‘পুরনো চাল ভাতে বাড়ে’। পরিচালক প্রিয়দর্শন আর অক্ষয় কুমারের জুটির ক্ষেত্রেও এই কথাটা ধ্রুব সত্য। ১৪ বছর পর একসঙ্গে কাজ করতে নেমে তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন, কেন এই জুটিকে ‘কমেডি কিং’ বলা হয়। মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে রাজত্ব করছে ‘ভূত বাংলা’। প্রথম সপ্তাহান্ত (উইকেন্ড) শেষ হওয়ার আগেই ছবিটি যে মাইলফলক স্পর্শ করেছে, তাতে উচ্ছ্বসিত হল মালিকরা।

বক্স অফিসে ম্যাজিক ফিগার
ট্রেড অ্যানালিস্টদের রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তির তৃতীয় দিনে অর্থাৎ রবিবারের শেষে ‘ভূত বাংলা’র মোট কালেকশন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৬.৩০ কোটি টাকা। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই ছবিটি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ছিল। প্রথম দিন ভালো ওপেনিংয়ের পর শনি ও রবিবার ছুটির দিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে ব্যবসার পরিমাণ।
তিন দিনের খতিয়ান:
প্রথম দিন: ১৮.৫০ কোটি টাকা (প্রায়)
দ্বিতীয় দিন: ১৭.৮০ কোটি টাকা (প্রায়)
তৃতীয় দিন (রবিবার): ২০ কোটি টাকার গণ্ডি পেরিয়ে রেকর্ড কালেকশন।
মোট সংগ্রহ: ৫৬.৩০ কোটি টাকা।
অক্ষয়ের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন
গত দু-তিন বছরে অক্ষয়ের বেশ কিছু ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। কিন্তু হরর-কমেডি ঘরানায় তাঁর প্রত্যাবর্তন যেন সেই সব ব্যর্থতাকে ধুয়ে মুছে দিল। দর্শকদের মতে, ‘ভুল ভুলাইয়া’র সেই পুরনো ফ্লেভার আর প্রিয়দর্শনের নিখুঁত পরিচালনা— এই দুইয়ের মিশেলে ‘ভূত বাংলা’ একটি ফুল এন্টারটেইনার। অক্ষয় ছাড়াও ছবিতে পরেশ রাওয়াল এবং রাজপাল যাদবের ত্রয়ীর রসায়ন দর্শকদের পেটে খিল ধরিয়ে দিচ্ছে।
সামনে বড় লক্ষ্য
উইকডে-তেও যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, তবে খুব শীঘ্রই ছবিটি ১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামনে আর কোনো বড় ছবি না থাকায় ‘ভূত বাংলা’-র সামনে এখন খোলা মাঠ।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


