‘সোনামণিকে বাঁচাতে আউট করা হল ভরত কলকে’, ক্ষেপে লাল বিগ বস বাংলার ভক্তরা! ‘আর দেখব না…’, লিখলেন রিমঝিম
ভরত কল যখন ঘর থেকে বের হচ্ছিলেন তখন সৃজলা, মনামী, জীতু, দুর্নিবার, রাজবীর, নন্দিনীদের রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। দর্শকরাও না-খুশ। অনেকেরই দাবি, স্টার জলসার হিরোইন সোনামণি সাহাকে বাঁচাতেই নাকি এমন ‘পক্ষপাতিত্ব’।
লক্ষ্মীপুজোর রাতে বিগ বস বাংলার ঘর থেকে ভোট আউট হয়েছেন ভরত কল। বর্ষীয়ান অভিনেতা নিজের আলাদা ছাপ ফেলে গিয়েছিলেন বিগ বসের ঘরে। ভরত কল যখন ঘর থেকে বের হচ্ছিলেন তখন সৃজলা, মনামী, জীতু, দুর্নিবার, রাজবীর, নন্দিনীদের রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এমনকী, ভরত কলের নমিনেশনে না-খুশ দর্শকদের বড় একটা অংশও।

ভরত কল রবিবারের এপিসোড সম্প্রচারের শেষে, অর্থাৎ বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টার জলসা, বিগ বস বাংলা শো-সহ, সকল দর্শকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। নেটপাড়া ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে ভরত কলের ভোট আউটে। একজন লেখেন, ‘ভাবতেই অবাক লাগছে, আপনি বেরিয়ে গেলেন আর সোনামণি, নন্দিনীরা থেকে গেল।’ অন্যজন লেখেন, ‘পুরো ঘরকে সামলে রাখত এই লোকটা ফাদার ফিগার হয়ে। দরকারে বকত, আবার আদরও করত।’ অন্য একটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘আপনিই আসল রকস্টার। এই এনার্জি, এত অসুস্থতা, এত বয়স থাকার পরেও।’
‘আপনার আর জীতুদার বন্ডিংটা আমার খুব ভালো লাগত, আপনার খেলা আমার খুব ভালো লাগত, হয়তো সিরিয়ালে দেখতে পাব আপনাকে খুব তাড়াতাড়ি, কিন্তু বিগ বস হাউজে খুব মিস করব, আপনি ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিজের খেয়াল রাখবেন।’, মন্তব্য করেন ভরত কলের এক অনুরাগী।

কারও আবার মত, সোনামণিকে বাঁচাতে ভরত এলিমিনেট করল কল। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠেছে জলসার নায়িকা সোনামণিকে বাঁচাতেই পুজোর সপ্তাহে কাওকে বিগ বস বাংলা থেকে বের করা হয়নি। প্রসঙ্গত, রবিবার দাদার দরবারে সৌরভ স্টার দিয়েছেন সোনামণিকে। ফলত আগামী সপ্তাহে তাঁকে কেউ নমিনেট করতে পারবে না। অর্থাৎ আরও একটা সপ্তাহের জন্য বেঁচে গেলেন তিনি। নেটপাড়ার দাবি, ‘বিগবস বারবার রক্ষা করছে সোনামণিকে’।
ভরত কলের নমিনেশনের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত। লিখলেন, ‘ভারত কল দাদাআআ! তুমি আমাদের মন জিতে নিয়েছ। তোমাকে বের করে দেওয়াটা চরম অন্যায়। এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। না!!! হয়তো আর বিগ বস দেখবই না। তুমি সবার অভিভাবক, পথপ্রদর্শক হয়ে ছিলে। তুমি প্রত্যেকের হৃদয় জয় করেছ। একজন প্রতিযোগী হিসেবেও তুমি চিরকাল আমার প্রিয় হয়ে থাকবে। অনেক ভালোবাসা, ভারতদা।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


