‘বাংলাদেশে এলে গোরুর মাংস খেতে ভালো লাগে…’! অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর মন্তব্যে চর্চা শুরু, এল ‘ডিম ছোঁড়া’র হুমকি

বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁর মুখে গোরুর মাংস খাওয়ার কথা। আর তা নিয়েই ক্ষোভ উগড়ে দিল নেটিজেনরা।

Published on: Sep 7, 2026, 17:49:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এমনিতেই চলতি বছরের দুর্গাপুজো ঘিরে চর্চা তুঙ্গে। আমিষ খাওয়া হবে না নিরামিষ, তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। আর বাঙালি নিজেরাও সেই বিতর্কে সামিল হয়েছেন। এমনকী, এতে নাম জড়িয়েছে বঙ্গ বিজেপি-র বেশ কিছু নেতারও। তারই মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তাঁর মুখে গোরুর মাংস খাওয়ার কথা। আর তা নিয়েই ক্ষোভ উগড়ে দিল নেটিজেনরা।

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।
বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।

শ্যুটিংয়ের কারণে আপাতত বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে। আর সেখানেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি তিনি। স্বাভাবিকভাবেই অভিনেতাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, পড়শি দেশের কোন জিনিসটা তাঁর সবচেয়ে ভালো লাগে। আর তাতে বিশ্বজিৎ ভূয়সী প্রশংসা করেন সেখানকার মানুষ, তাঁদের আতিথেয়তা এবং বাংলাদেশের খাবারের কথা।

অভিনেতার মুখে খাবারের প্রশংসা শুনে সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশের কোন খাবার তাঁর সবচেয়ে পছন্দের? আর এই প্রশ্নে জবাব আসে, গোরুর মাংস এবং ইলিশ মাছ তাঁর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে।

ইতিমধ্যেই খাওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিশ্বনাথ জানান, তিনি সদ্য পা রেখেছেন। দুপুরে মাংস ভাত খেয়েছেন, আর রাতে যাবেন গোরুর মাংস খেতে। অই ভিডিয়োই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছে।

এক নেটিজেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মন্তব্য করলেন, ‘কথিত বুদ্ধিজীবী হিন্দুরা আসলে নিজেদেরকে খুব কুল ভাবে এসব বলে। শুনলে আশ্চর্য লাগে।’ আরেকজন লিখলেন, ‘এবার কলকাতায় ফিরলে পাবলিক আপনাকে ডিম খাওয়াবে।’ অন্যজন লেখেন, ‘একে ঢাকাতেই পাকাপাকিভাবে রেখে দেওয়া হোক।’

তবে আরেকদল আবার বিশ্বজিতের পক্ষ নিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘এখানে যারা বিরোধিতায় সরব তারা অনেকই খেয়েছে। কিন্তু এটা তাদের মুখোশ। মানুষ কী খাবে সেটা তার নিজস্ব রুচির বিষয়।’

প্রসঙ্গত, এর আগে সুদীপা চট্টোপাধ্যায় তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বাংলাদেশের রান্না সিরিজে গোরুর মাংস রান্না দেখিয়েছিলেন। সেই সময় বড় বিতর্কের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। ২০২৪ সালের ঘটনা। সেই স্মৃতিকেই যেন নতুন করে উসকে দিল বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর এহেন মন্তব্যখানা।

বাংলা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও নাট জগতের একজন অত্যন্ত পরিচিত মুখ বিশ্বজিৎ। ১৯৯৩ সালে অশোক বিশ্বনাথন পরিচালিত ‘শূন্য থেকে শুরু’ সিনেমা দিয়ে কেরিয়ার শুরু। ভূতের ভবিষ্যৎ, বাই বাই ব্যাংকক, মিশর রহস্য, জাতিস্মর, রাজকাহিনি-র মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। বর্তমানে ও মোর দরদিয়া, তারে ধরি ধরি মনে করি, জোয়ার ভাঁটা-তে দেখা যাচ্ছে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More