Shankudeb Panda Wedding Menu: বিরিয়ানি থেকে কাবাব-ভেটকি, বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডার বিয়ের মেনুতে কী কী ছিল?
রবিবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা। পাত্রী সাংবাদিক স্বর্ণালী। বর ও কনে এদিন সেজেছিলেন লাল রঙে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এই হাই প্রোফাইল বিয়ের মেনুতে ছিল কী কী খাবার।
রবিবার গঙ্গাবক্ষে সাতপাকে ঘুরলেন বিজেপি নেতা, পরিচালক শঙ্কুদেব পাণ্ডা। পাত্রী সাংবাদিক স্বর্ণালী সরকার। আর এই বিয়েতে হাজির ছিলেন বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারা। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারিও। ইতিমধ্যেই বর ও কনের লাল টুকটুকে সাজ ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। চলুন এবার না হয় দেখে নেওয়া যাক এই হাই প্রোফাইল বিয়ের মেনুতে ছিল কী কী খাবার!

বিয়েতে আগত অতিথিদের জন্য কী কী ছিল মেনুতে?
শঙ্কুদেব ও স্বর্ণালীর বিয়ের মেনু ভাগ করে নিয়েছেন টলিউডের প্রযোজক রাণা সরকার। আমিষ আর নিরামিষ মিলিয়ে নানারকম জিভে জল আনা খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল অতিথিদের জন্য।
স্টার্টারে নিরামিষে ছিল পনির টিক্কা আর হরাভরা কাবাব। আর আমিষে ছিল ফিশ কাবাব, মুর্গ শোলা কাবাব। মেইন কোর্সে ছিল মাটন বিরিয়ানি, চিকেন মসালা, ভেটকি মাছের মাসালা, রুমালি রুটি, ডাল মাখনি। যারা আমিষ খান না, তাদের জন্য মেইন কোর্সে ছিল পনির, পোলাও-এর মতো পদ। ডেজার্টে রাখা হয়েছিল কুলফি আর দুই ধরনের মিষ্টি।
বর ও কনের ‘লাল টুকটুকে’ সাজ
বিয়ের দিন কনে স্বর্ণালী পরেছিলেন লাল টুকটুকে শাড়ি। সঙ্গে সোনার গয়না। আর শঙ্কুদেব বেছে নিয়েছিলেন লাল পঞ্জাবি। কয়েকবছর আগেই শঙ্কুদেব আর স্বর্ণালীর প্রেমের খবর ছড়িয়েছিল। সেই জল্পনাতেই শিলমোহর পড়ল রবিবারে। সামাজিক বিয়ের পাশাপাশি, এদিন রেজিস্ট্রিও করেন তাঁরা। রবিবার সকালেই হয়েছিল গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। আর রবিবারের সকালে বর ও কনের ছিল হলুদ শাড়ি-পঞ্জাবির মেলবন্ধন। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন স্বর্ণালী।
শঙ্কুদেবের পরিচালনায় আসছে 'অভয়া শক্তি'
রাজনীতির পাশাপাশি বিনোদন জগতেও পা রেখেছেন শঙ্কুদেব পাণ্ডা। আরজি কর হাসপাতালের সত্য ঘটনা অবলম্বনে তাঁর আগামী বাংলা ছবি 'অভয়া শক্তি' পরিচালনা করছেন। আর এই ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রাণা সরকার। চলতি বছরের অগস্ট মাসে এই ছবির শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল শঙ্কুদেব পণ্ডা পরিচালিত প্রথম ছবি ‘কমরেড’। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন এনা সাহা, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায় এবং মৌবনী সরকার।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেন শঙ্কুদেব পাণ্ডা। পরবর্তীতে তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন এবং রাজ্য স্তরের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


