Asha Bhosle: আশা ভোঁসলকে ‘ঘোঁসলে’ বললেন বিজেপি নেত্রী, ‘উনি কি গায়িকা?' প্রশ্ন করায় হল কটাক্ষ
Asha Bhosle: সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হচ্ছেন বিজেপি মেয়র। প্রকৃতপক্ষে, প্রয়াত গায়িকা আশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মেয়র হেমলতা দিবাকর কুশওয়াহা একটি বড় ভুল করেছেন।
Asha Bhosle: রাজনীতির ময়দানে সব সময় সুর মেলে না, কিন্তু শোকজ্ঞাপনের সময় এমন ‘বেসুরো’ মন্তব্য আগে কেউ শুনেছেন কি না সন্দেহ। কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেললেন মধ্যপ্রদেশের বারওয়ানি পুরসভার বিজেপি মেয়র হেমলতা। শোকবার্তায় গায়িকার নাম ভুল উচ্চারণ করা থেকে শুরু করে তাঁর পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলে এখন নেটিজেনদের নিশানায় তিনি।

ঠিক কী ঘটেছে?
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সংবাদমাধ্যমের সামনে গায়িকার প্রয়াণে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন মেয়র। সেখানে তিনি আশা ভোঁসলেকে ‘আশা ঘোঁসলে’ বলে সম্বোধন করেন। শুধু নাম ভুল বলাতেই থেমে থাকেননি তিনি। ভিডিওর এক পর্যায়ে তাঁকে পাশে থাকা একজনের কাছে নিচু স্বরে জিজ্ঞেস করতে শোনা যায়, ‘উনি কি গায়িকা ছিলেন?’। সেই ব্যক্তিও তড়িঘড়ি উত্তর দেন যে তিনি অনেক বড় গায়িকা ছিলেন। এরপর মেয়র নিজেকে সামলে নিয়ে শোকপ্রকাশ শেষ করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে আগ্রায় বিজেপির ব্রজ প্রদেশের অফিসে। 'নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম' নিয়ে সচেতনতা অভিযান চলছিল। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেয়র হেমলতা। আশা ভোঁসলের মৃত্যু নিয়ে সংবাদমাধ্যম তাঁকে প্রশ্ন করলে তা ছিল 'ভুল'।
নেটপাড়ার কটাক্ষ
এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ট্রোলের বন্যায় ভেসে গিয়েছেন হেমলতা। নেটিজেনদের প্রশ্ন— ভারতের ‘ভারতরত্ন’ লতা মঙ্গেশকরের বোন এবং সুরের জগতের এমন এক মহাতারকাকে কি না চিনতে পারছেন না একজন জনপ্রতিনিধি? কেউ লিখেছেন, ‘সস্তার প্রচার পেতে চাইলে যা হয়’, কেউ আবার বলছেন, ‘এর চেয়ে চুপ থাকাই ভালো ছিল।’
শোকের মাঝে বিড়ম্বনা
মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এবং ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকায় মুড়ে আশাজিকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। , যখন সচিন তেন্ডুলকরের মতো ব্যক্তিত্বরা চোখের জল ফেলছেন— সেদিন মেয়রের এই অজ্ঞতা যেন ক্ষতে নুনের ছিটে দেওয়ার মতো।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


