'অভিষেক চোট লাগলে লন্ডনে যায়, আমি সরকারি হাসপাতালে', বাঙুরে ‘ছোট্ট’ অস্ত্রোপচারের পর TMC-র যুবরাজকে খোঁচা পাপিয়ার

ডান হাতের আঙুলে গুরুতর সংক্রমণ ও পুঁজ জমার কারণে কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতালে ছোট অস্ত্রোপচার করালেন অভিনেত্রী তথা বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। এখন কেমন আছেন টলিউডের ‘বিবি পায়রা’?

Published on: Jun 27, 2026, 19:37:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শনিবার সমাজমাধ্যমের পাতায় হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার থেকে একটি ছবি পোস্ট করতেই তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তথা টলিগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীকে নিয়ে। ছবি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, আচমকা কি হল অভিনেত্রীর? তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে নিজেই নিজের শারীরিক অবস্থার (Health Update) খোঁজ দিলেন অভিনেত্রী।

'অভিষেক চোট লাগলে লন্ডনে যায়, আমি সরকারি হাসপাতালে', বাঙুরে অস্ত্রোপচার পাপিয়ার
'অভিষেক চোট লাগলে লন্ডনে যায়, আমি সরকারি হাসপাতালে', বাঙুরে অস্ত্রোপচার পাপিয়ার

তিনি জানিয়েছেন, বড় কিছু না হলেও তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলে গুরুতর ইনফেকশন বা সংক্রমণ হওয়ার কারণেই জরুরি ভিত্তিতে একটি ছোট অস্ত্রোপচার বা মাইক্রোসার্জারি (Micro-surgery) করাতে হয়েছে তাঁকে।

প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চলল অস্ত্রোপচার, কী হয়েছিল পাপিয়ার?

পাপিয়া অধিকারী জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর ডান হাতের মধ্যমায় (Middle Finger) একটি সংক্রমণ হয়েছিল। যার জেরে মারাত্মক যন্ত্রণা শুরু হয়, আঙুলটি ক্রমে ফুলতে থাকে এবং ভেতরে পুঁজ জমে যায়। চারপাশে বিধায়ক হিসেবে কাজের প্রচণ্ড ব্যস্ততা ও রাজনৈতিক কর্মসূচির মাঝেই এই শারীরিক কষ্ট নিয়ে ভুগছিলেন তিনি।

অবশেষে শনিবার কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতালে (M.R. Bangur Hospital) গিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি ভর্তি হন। সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তাঁর আঙুলে একটি ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর আপাতত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি নিজের বাড়িতেই ফিরে এসেছেন।

‘আমার কিছু হলে বেশ বাড়িয়েই হয়’— রসিকতা পাপিয়ার

অস্ত্রোপচারের পর এখন কেমন আছেন? আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী জানান, ‘আঙুলের অবশ ভাবটা এখন কেটে গিয়েছে। তবে কাটার জায়গাটা বেশ টনটন করছে। খুব শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাব। আসলে আমার যখনই কিছু হয়, বেশ বাড়াবাড়ি রকমেরই হয়। সাত-আট বছর আগে ডবল নিউমোনিয়া হয়েছিল। সেই সময় প্রায় মৃত্যুশয্যায় চলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল আমার। এবার আবার এই আঙুলের অস্ত্রোপচার।’

তিনি আরও আক্ষেপ করে জানান, এই অসুস্থতা ও হসপিটালাইজেশনের চক্করে বিধায়ক হিসেবে তাঁর আজকের দিনের বেশ কিছু জরুরি কাজ আটকে রইল, যা তিনি সুস্থ হয়েই আবার শুরু করবেন।

সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসায় মুগ্ধ বিধায়ক

আজকাল বহু তারকা বা রাজনীতিবিদ সামান্য অসুস্থতাতেই নামী বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাড়ি দেন। তবে টলিউডের এই অভিনেত্রী ও রাজনেতা চিকিৎসা করালেন খোদ সরকারি হাসপাতালে। এম আর বাঙুর হাসপাতালের ভূয়সী প্রশংসা করে পাপিয়া অধিকারী। অন্যদিকে তৃণমূলের যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে খোঁচা দিতেও ভোলেননি। পাপিয়া অন্য এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘একদম স্ট্রং আছি আমি। আমি তো আর অভিষেক ব্যানার্জি নই। অভিষেকের সামান্য চোট লাগলে লন্ডনে যায়, আমি সরকারি হাসপাতালেই অপারেশন করাই‌। আমি তো টালিগঞ্জের বাসিন্দা, তাই বাঙুরই আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য জায়গা’।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More