জিতলেই পাবেন ৫০ হাজার! দেবের দাদাগিরিতে আসতে বউকে কীভাবে রাজি করালেন সজল ঘোষ?

সজল ঘোষ, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, কৌস্তভ বাগচি, নওশাদ সিদ্দিকি, মোস্তাফিজুর রহমান-রা দেবের দাদাগিরিতে। চলতি সপ্তাহেই সম্প্রচারিত হবে এই এপিসোড। 

Published on: Aug 26, 2026, 15:32:08 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দাদাগিরিতে এবার দেবের সঙ্গী সদ্য নির্বাচিত বিধায়করা। সজল ঘোষ, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, কৌস্তভ বাগচি, নওশাদ সিদ্দিকি, মোস্তাফিজুর রহমান-রা। আর রাজনীতির প্রতিপক্ষদের এক ছাদের তলায় আসা নিয়ে এমনিতেই উৎসাহ তুঙ্গে। চলতি সপ্তাহেই সম্প্রচারিত হবে এই এপিসোড, যার ফাইনাল প্রোমোও এসে গিয়েছে।

দেব-সজল ঘোষ।
দেব-সজল ঘোষ।

বিধায়করা দাদাগিরির যেই এপিসোডে এসেছিলেন, তার বিটিএস ভিডিয়ো-ও বেশ পছন্দ করছেন দর্শকরা। বিশেষ করে বিজেপি-র বরানগর কেন্দ্র থেকে ভোটে জিতে আসা সজল ঘোষ। তাঁকে ভিডিয়ো কলে বউয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। এমনকী, বউকে দাদাগিরির সেটও দেখান সজল। সঙ্গে সাংবাদিকদের জানান যে, বউয়ের একেবারেই মত ছিল না তিনি দাদাগিরিতে আসেন।

তাহলে কীভাবে রাজি করালেন বউকে? সজল জানান যে, দাদাগিরির প্রাইজ মানি ৫০,০০০ টাকা জানার পরই নাকি অনুমতি দিয়েছেন। এমনকী, প্রোমোয় দেখা যায়, কৌস্তভ বাগচি বলছেন, ভুলভাল যদি বলেছ না…'! কুণাল বলছেন, ‘আমি তো নিরীহ, সাদা মনে কাদা নেই’। সজল তো অকপটে বলেই দিলেন, ‘প্রাইজ না নিলে, বউ বলেছে ঢুকতে দেবে না’। এমনকী, সবাই যখন একসঙ্গে কথা বলার চেষ্টা চালিয়ে যান, তখন বহু কষ্টে থামান দেব। বলে ওঠেন, ‘এটা বিধানসভা নয়, এটা দাদাগিরি। এখানে আমার কথাই শেষ কথা।’ এভাবেই রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে হাসি-মজায় মজেছিলেন সকলে।

‘দাদাগিরি আনলিমিটেড সিজন ১১’-এর সঞ্চালক হিসেবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে দেবকে। এতদিন এই দায়িত্ব সামলেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। শোনা যায়, জি বাংলার সঙ্গে পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মতপার্থক্যের কারণেই শো ছাড়েন তিনি। আর প্রায় দু বছর অপেক্ষার পর নতুন করে দাদাগিরি নিয়ে হাজির জি বাংলা, সঙ্গে বাংলার নতুন দাদা দেব।

অভিনেতা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দাদগিরি-র অফার আসার পরই তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সঙ্গে এটাও জানান যে, সৌরভ সঞ্চালিত দাদাগিরির কোনো এপিসোডই দেখেননি তিনি। একেবারে নিজের মতো তরে তাই করছেন সঞ্চালনা। নিজের উপর, আর পুরো টিমের উপর ভরসা রেখেছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More