মুখের দুর্গন্ধের জন্য মনীষার সঙ্গে শ্যুটিং করতে রাজি হননি ববি! কী ঘটেছিল জানেন?

ববি দেওল তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের অনেক মজার ও আকর্ষণীয় গল্প শেয়ার করেছেন। আসলে, কেরিয়ারের শুরুতে ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর এমন একটি ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল যে তিনি সহ-অভিনেত্রীদের বিরক্ত করেন। এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ববি হাসতে হাসতে এই সব গুঞ্জনের নেপথ্যের সত্যটা প্রকাশ করেন।

Published on: Jun 3, 2026, 08:01:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ববি দেওল তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের অনেক মজার ও আকর্ষণীয় গল্প শেয়ার করেছেন। আসলে, কেরিয়ারের শুরুতে ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর এমন একটি ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল যে তিনি সহ-অভিনেত্রীদের বিরক্ত করেন। এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ববি হাসতে হাসতে এই সব গুঞ্জনের নেপথ্যের সত্যটা প্রকাশ করেন।

মুখের দুর্গন্ধের জন্য মনীষার সঙ্গে শ্যুটিং করতে রাজি হননি ববি! কী ঘটেছিল জানেন?
মুখের দুর্গন্ধের জন্য মনীষার সঙ্গে শ্যুটিং করতে রাজি হননি ববি! কী ঘটেছিল জানেন?

ববিকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তাঁর প্রথম ছবির শ্যুটিংয়ের সময় তিনি টুইঙ্কল খান্নার সঙ্গে ক্রমাগত ঝগড়া করতেন কিনা, তিনি হেসে বললেন, ‘আমরা দু’জনেই তখন খুব তরুণ এবং অনভিজ্ঞ ছিলাম। দুঃখিত, কিন্তু আমার ছোটবেলা থেকেই পেটের সমস্যা আছে। আমি সেটে সবসময় এটা নিয়ে কথা বলতাম-যেমন আজ ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম কি না, বা সব কিছু কেমন চলছে। আমার এই অভ্যাসে টুইঙ্কল খুব বিরক্ত হত। ব্যাপারটা চরমে পৌঁছায় যখন সে ছবির জন্য তার প্রথম সাক্ষাৎকারে আমার সমস্যার কথা উল্লেখ করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ওঁকে ফোন করে বলি, তুমি সাক্ষাৎকারে এমন কথা কী করে বলতে পারো?' তবে, এটা ছিল শুধুই ছেলেমানুষি।'

তাছাড়াও শোনা গিয়েছিল ববির 'বিচ্ছু' ছবির সময় তিনি নাকি রানি মুখোপাধ্যায় উচ্চতা নিয়ে ঠাট্টা করে তাঁকে 'দেড় ফুটিয়া' বলে ডাকতেন। ববি বলেন, ‘রানি আমার খুব ভালো বন্ধু, আর আমাদের বন্ধুত্বটা এই ছবির সেটেই শুরু হয়েছিল। আসলে একটা গানের শ্যুটিংয়ের সময় আমরা একটা নৌকায় ছিলাম। খুব জোরে হাওয়া বইছিল, তাই রানি বলল যে সে অন্যদিকে মুখ করে দাঁড়াবে, যাতে তাঁর চুল মুখে না পড়ে।’

ববি আরও বলেন, ‘কিন্তু এমনটা করতে গিয়ে ওঁর চুল আমার মুখের ওপর এসে পড়ল। আমি ওঁকে একপাশে সরে দাঁড়াতে বললাম যাতে আমাদের দু’জনের চুলই একই দিকে ওড়ে। আমরা কেউই হার মানতে রাজি ছিলাম না, আর আমাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে গেল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, ওই একটা ঝগড়ার পরেই আমাদের মধ্যে এতটাই সখ্যতা গড়ে উঠল যে আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে গেলাম। এরপর থেকে ও প্রতিদিন বাড়ি থেকে আমার জন্য মজাদার খাবার নিয়ে আসত।'

ববি তাঁর ১৯৯৭ সালের সুপারহিট ছবি ‘গুপ্ত: দ্য হিডেন ট্রুথ’ থেকেও একটি মজার ঘটনাও শেয়ার করেছেন। গুঞ্জন ছিল যে, মনীষা কৈরালার মুখের দুর্গন্ধের কারণে তিনি তাঁর সঙ্গে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে রাজি হননি। আসল ঘটনা প্রকাশ করে ববি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে। শ্যুটিংয়ের সময় খুব ঠান্ডা ছিল, আর একজন ভাজা ছোলা বিক্রি করছিল, যা মনীষা খুব আনন্দের সঙ্গে খাচ্ছিল। ঠিক তার পরেই একটি দৃশ্য ছিল যেখানে ওকে আমার ঠোঁটে কামড় দিতে হতো। ওর মুখ থেকে পেঁয়াজের এত তীব্র গন্ধ আসছিল যে আমি কোনও অভিব্যক্তিই প্রকাশ করতে পারিনি।’

ববি হাসতে হাসতে আরও বলেন, ‘এরপর আমাদের কলেজের ভেতরে একটা দৃশ্যের শ্যুটিং করতে হয়েছিল, যেখানে এক নতুন ছেলে আমাকে মারতে যাচ্ছিল। আমি নতুন অভিনেতাটিকে তাঁর অভিনয়ে বাস্তবতা আনার জন্য প্রচুর পেঁয়াজ খেতে বলেছিলাম। আমি ওঁকে অনেক পেঁয়াজ খাইয়ে মনীষার সামনে শ্যুটিং করতে পাঠিয়ে দিলাম, কিন্তু মনীষার মুখের ভাব একটুও বদলায়নি। ওই বয়সে একটু সরল থাকো, তাই এই ধরনের দুষ্টুমি হয়েই যায়।’