এক ঢাল কালো চুল, মায়ের মতোই দেখতে! ওনমে মেয়ের ছবি দিলেন আসিন, কত বড় হল আরিন?

অসিন থোট্টুমকাল ওনম উপলক্ষে তাঁর মেয়ে আরিন ও স্বামী রাহুল শর্মার ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন। আর আসিন-কন্যাকে দেখে মুগ্ধ নেটপাড়া। খুদেকে ভরাল ভালোবাসায়। 

Published on: Aug 27, 2026, 18:30:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বহু বছর ধরে গ্ল্যামার জগত থেকে দূরে রয়েছেন অভিনেত্রী আসিন থোট্টুমকল। নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে লাইমলাইটের আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন তিনি। তবে মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভক্তদের নিজের জীবনের নানা মুহূর্তের ঝলক দেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি ওনাম উৎসব উপলক্ষে অসিন তাঁর মেয়ে আরিনের বেশ কয়েকটি সুন্দর ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে খুদে আরিন নিমেষেই জিতে নিয়েছে নেটপাড়ার মন।

কত বড় হল আসিন-কন্যা আরিন?
কত বড় হল আসিন-কন্যা আরিন?

বুধবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আরিনের ওনাম উদযাপনের এই ছবিগুলি পোস্ট করেন আসিন। ছবিতে হলুদ ও কমলা রঙের এথনিক পোশাকে দেখা যায় খুদেকে। সে নানারকম ফুল দিয়ে একটি বর্ণিল ‘পূকলম’ (ফুল দিয়ে তৈরি রঙ্গোলি) সাজাচ্ছিল। ছবিতে নজর কেড়েছে আরিনের খোলা, ঘন লম্বা চুল। আরেকটি ছবির মাধ্যমে আসিন জানান যে, তিনি নিজে পিছিয়ে এসে উৎসবের সমস্ত সাজসজ্জার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ছোট অরিনের হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন।

অন্য একটি ছবিতে দেখা যায়, গাদা ও গোলাপ-সহ নানা রঙের ফুল দিয়ে নিখুঁতভাবে পূকলম সাজাচ্ছিল আরিন। আর তার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সাহায্য করছিলেন বাবা তথা ব্যবসায়ী রাহুল শর্মা। আরও একটি ছবিতে বাবা-মেয়েকে একে অপরের ওপর ফুল ছিটিয়ে আনন্দ করতে দেখা গিয়েছে।

আরিনের এই উদযাপনের ছবি দেখে আনন্দিত ভক্তরা। কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, ‘খুব মিষ্টি’। অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘একদম মায়ের মতোই দেখতে হয়েছে’। অনেকেই আসিনকে নিজের ছবি শেয়ার করার অনুরোধ জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমরা আপনাকে মিস করি’। আবার কেউ লিখেছেন, ‘ঠিক যেন ছোট্ট অসিন’।

ফুলের রঙ্গোলি দিতে ব্যস্ত আরিন।
ফুলের রঙ্গোলি দিতে ব্যস্ত আরিন।
বাবার সঙ্গে আসিন-কন্যা আরিন।
বাবার সঙ্গে আসিন-কন্যা আরিন।
মেয়ে আরিনের ঝলক ভাগ করলেন আসিন।
মেয়ে আরিনের ঝলক ভাগ করলেন আসিন।

২০০১ সালে মালয়ালম সিনেমা ‘নরেন্দ্রন মকন জয়কান্থন ভকা’-র মাধ্যমে কিশোর বয়সেই অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন আসিন। খুব অল্প সময়েই তিনি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তেলেগু ছবি ‘আম্মা নান্না ও তামিলা আম্মায়ি’-র মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান এবং এরপর তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ‘শিবকাশী’, ‘বরলারু’ ও ‘দশাবতারম’-এর মতো সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন।

২০০৮ সালে আমির খানের বিপরীতে ‘গজিনী’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন অসিন। ছবিটি বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য লাভ করে এবং হিন্দি সিনেমা জগতেও অসিনের অবস্থান শক্ত করে। পরবর্তীতে তিনি ‘লন্ডন ড্রিমস’, সলমান খানের বিপরীতে ‘রেডি’ এবং ‘হাউসফুল ২’-এর মতো বহু হিট ছবিতে কাজ করেছেন। ২০১৫ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ‘অল ইজ ওয়েল’ ছবিতে তাঁকে শেষবারের মতো অভিনয় করতে দেখা যায়।

কেরিয়ারের সেরা সময়ে থাকা অবস্থাতেই অভিনয় জগত থেকে দূরে সরে যান অসিন। ২০১৬ সালে তিনি মাইক্রোম্যাক্স (Micromax)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাহুল শর্মাকে বিয়ে করেন এবং ২০১৭ সালে তাঁদের কন্যাসন্তান আরিনের জন্ম হয়। বিনোদন জগতকে বিদায় জানানোর পর থেকে আসিন নিজেকে জনসম্মুখ থেকে আড়ালে রেখে পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More