Bonny-Kartik: ‘কার্তিক আরিয়ান ওভাররেটেড অভিনেতা’, ‘লিডিং মোস্ট হিরো’ বনির মন্তব্যে নয়া বিতর্ক
বলিউডের বর্তমান হার্টথ্রব নায়ক কার্তিক আরিয়ান। তবে বনির চোখে কার্তিক নাকি ‘ওভার রেটেড’ অভিনেতা। নতুন বিতর্কে টলিউডের ‘লিডিং মোস্ট হিরো’।
টলিউড অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত সম্প্রতি এক পডকাস্টে বলিউড তারকা কার্তিক আরিয়ান-কে ‘ওভাররেটেড’ বলে মন্তব্য করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। ‘স্টোরিজ উইথ সাহানা’ নামক পডকাস্টের র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে একজন ওভাররেটেড অভিনেতা বা অভিনেত্রীর নাম জানতে চাওয়া হলে, কিছুটা ইতস্তত করলেও সরাসরি কার্তিক আরিয়ানের নাম নেন বনি। যাার জেরে ক্ষুব্ধ ‘রুহ বাবা’র ভক্তরা।

জাতীয় পুরস্কারজয়ী এবং বলিউডের অন্যতম সফল স্বনির্ভর আউটসাইডার তারকা কার্তিককে নিয়ে এই মন্তব্যের পর ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর ফ্যানেরা।
নেটিজেনদের কড়া প্রতিক্রিয়া ও ট্রোলিং
বনি সেনগুপ্তের এমন বক্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা তাঁকে চরম ট্রোল করছেন। নেটিজেনরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে কার্তিক আরিয়ানের কোনো ফিল্মি ব্যাকগ্রাউন্ড নেই, নিজের যোগ্যতায় একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে প্রযোজকদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছেন তিনি। অন্যদিকে, বনির তিন প্রজন্ম চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও তাঁর নিজের কেরিয়ারগ্রাফ তেমন উজ্জ্বল নয়। কমার্শিয়াল ছবির হিট নায়ক কার্তিক এই বছরই চন্দু চ্যাম্পিয়ান ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন, যা যে কোনও অভিনেতার কেরিয়ারের স্বপ্ন। সেই পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক হলেও বক্স অফিস সাফল্যে কার্তিক আরিয়ানের জুরি মেলা ভার।
‘লিডিং মোস্ট হিরো’ আত্মকটাক্ষ
পডকাস্টে যখন বনিকে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি নিজেকে কী পুরস্কার দেবেন, তখন তিনি হাসিমুখে বলেন, ‘লিডিং মোস্ট হিরো’। আসলে অতীতে এই মন্তব্যের জেরে বেজায় ট্রোল হয়েছিলেন বনি। সেই ট্রোলিং যে তিনি ভুলে যাননি, এবং নিজের আত্ম-সমালোচনাতেও তিনি ওস্তাদ তা বুঝিয়ে দেন কৌশিনীর মনের মানুষ।
ওই একই পডকাস্টে বনি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মুখ খোলেন এবং জানান যে তিনি বিয়ের আগে ‘লিভ-ইন’ সম্পর্কে বিশ্বাসী।
বলিউডের সফলতম এক অভিনেতাকে ‘ওভাররেটেড’ আখ্যা দেওয়ায় টলিপাড়ার এই স্টার-কিড এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


