'কান্না পেলে কাঁদবে….', পুরুষদেরও কষ্ট হয়! তৈমুর-জেহকে এই শিক্ষাই দিচ্ছেন করিনা
দুই ছেলেকে সংবেদনশীল হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছেন করিনা। ছেলে মানেই কাঁদা বারণ, এমন ধারণায় তিনি বিশ্বাসী নন।
বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান সম্প্রতি তাঁর আসন্ন ছবি 'দায়রা' (Daayra)-র ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ-র লালন-পালন এবং ছেলেদের মানসিক বিকাশ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। পরিচালক মেঘনা গুলজারের এই ছবির প্রেস মিটে ছেলেদের সংবেদনশীলতা ও কান্না লুকানো না নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।

ছেলেদের আবেগ প্রকাশ ও কারিনার পরামর্শ
কারিনা জানান, দুই সন্তানের মা হিসেবে তিনি সবসময়ই চান তাঁর ছেলেরা যেন একজন দায়িত্বশীল ও দয়ালু মানুষ হিসেবে বড় হয়ে ওঠে।
ছেলেরাও কাঁদতে পারে: সমাজ মনে করে শুধু মেয়েরাই সংবেদনশীল, তবে কারিনা এই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে জানান যে ছেলেদেরও আবেগ প্রকাশ করা বা কান্নার স্বাধীনতা থাকা দরকার। ছোট থেকেই লাইমলাইটে বড় হয়েছে করিনা-সইফের দুই পুত্র তৈমুর ও জেহ। জন্মের পর থেকেই বিতর্ক ঘিরে থেকেছে দুজনকে। তৈমুরের জন্মের পর তাঁর নাম নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। তবে নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি সইফিনা।
কান্না লুকিয়ে রাখা নয়: কারিনা তাঁর বড় ছেলে তৈমুরকে সবসময় বলেন, যদি সে কাঁদতে চায় তবে যেন নির্দ্বিধায় কাঁদে। মায়ের সামনে বা কারও সামনে কেঁদে আবেগ প্রকাশ করায় কোনো লজ্জা নেই, বরং এই অভিজ্ঞতা তাদের জানা প্রয়োজন। পুরুষদের আরও বেশি দয়ালু এবং সংবেদনশীল হওয়ার ওপর জোর দেন অভিনেত্রী।
'দায়রা' ছবি প্রসঙ্গে
মেঘনা গুলজার পরিচালিত 'দায়রা' একটি অপরাধের ঘটনা ও তার অনুসন্ধানের গল্প নিয়ে তৈরি। ছবিতে কারিনা কাপুর খান এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারন দুজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করছেন, যারা একটি মামলা সামলাতে গিয়ে একে অপরের মুখোমুখি হন।
ছবিটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। সম্প্রতি তৃতীয় প্রেগন্যান্সির জল্পনার জেরে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন বেবো। তবে তিনি সাফ জানান, তিনি কোনওভাবেই প্রেগন্যান্ট নন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


