Bratyya-Dev: কুমির, সাপ থেকে উটপাখি- আর কীসের মাংস খেয়েছেন ব্রাত্য বসু! শুনে তাজ্জব দেব
মাছে-ভাতে বাঙালি তো বটেই, সঙ্গে রকমারি মাংসের প্রতি বিশেষ নেশা রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। কুমির, সাপ থেকে উটপাখির মাংসও চেখে দেখেছেন তিনি।
‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে তারকা সাংসদ দেবের মুখোমুখি হয়ে সম্প্রতি নিজের জীবনের নানা অজানা গল্প শেয়ার করেন নাট্যকার, অভিনেতা তথা রাজনীতিক ব্রাত্য বসু। রাজনীতির ময়দান পেরিয়ে বিনোদন দুনিয়ার এই দুই সফল ব্যক্তিত্বের মিষ্টি আড্ডা ও রসিকতা দর্শকদের দারুণ মন জয় করে নেয়।

কথোপকথনের শুরুতেই দেবের প্রশ্নের জবাবে ব্রাত্য বসু তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি ও জীবন দর্শনের কথা তুলে ধরেন। দেব যখন জানতে চান তাঁর সাফল্যের পেছনে কোন মন্ত্র রয়েছে, ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানান, ‘প্রতিভা বলে আলাদা কিছু হয় না, কঠোর পরিশ্রমই আসল প্রতিভা।’ কথার পিঠে দেবও তাঁর মনের ইচ্ছ প্রকাশ করে জানান যে, তিনি প্রতিদিন একজন ভাল অভিনেতা হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেন।
এরপরই জমে ওঠে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের মজার আড্ডা। দেব হালকা চালে ব্রাত্য বসুর এক্সোটিক মাংস খাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে জানতে চান। ব্রাত্য বসুর খাবারের বিরল তালিকা শুনে রীতিমতো চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় দেব থেকে উপস্থিত দর্শকদের!
দেব জানতে চান, ‘তুমি কিসের কিসের মাংস খেয়েছ?’ উইঙ্কেল টুইঙ্কেলের প্রচারে আসা ব্রাত্য বসু বলেন, এক্সোটিক মাংস যদি জানতে চাও… কুমির, সাপ, গণ্ডার...'।
দেব চমকে উঠে জানতে চান গণ্ডারও?! উলটো দিক থেকে জবাব আসে, ‘সাউথ আফ্রিকায় খেয়েছি… আর উটপাখি। ব্যাস!' ততক্ষণে চোখ ছানাবড়া দেবের।
জীবনে কুমির, সাপ থেকে শুরু করে উটপাখি কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে গণ্ডারের মাংসও চেখে দেখেছেন তিনি। তবে এত রকমারি ও বিরল খাবারের স্বাদ গ্রহণ করলেও দিনশেষে রসিক ব্রাত্য বসুর সোজাসাপ্টা মন্তব্য ছিল— ‘এমন কিছু না!’ তাঁদের এই মজার আড্ডায় মুহূর্তেই হাসির রোল ওঠে পুরো দাদাগিরির মঞ্চে। ঘুরতে এবং খেতে ভালোবাসেন দেবও। সময় পেলেই প্রেমিকা রুক্মিণীর হাত ধরে বেরিয়ে পড়েন বিদেশে। কিন্তু রকমারি মাংস চেখে দেখবার ইচ্ছে বা তাগিদ যে তাঁর মনে নেই তা দেবের অভিব্যক্তি বলে দিচ্ছে।
আপতত দেশু৭ নিয়ে ব্যস্ত দেব, সঙ্গে সমানতালে চলছে দাদাগিরির শ্যুটিং। পুজোয় মুক্তি পাবে দেশু৭।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


