আত্মঘাতী ব্রেকিং ব্যাড খ্যাত তারকা! ৩৪ বছর বয়সেই প্রয়াত আরজে মিত্তে, শোকের ছায়া বিনোদুনিয়ায়
আরজে মিত্তের প্রতিনিধি তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন, তবে মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আত্মহত্যা করেছেন অভিনেতা।
বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা জনপ্রিয় মার্কিন টিভি সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এ ওয়াল্টার হোয়াইট জুনিয়র আর নেই! এই চরিত্রে অভিনয় করে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পাওয়া মার্কিন অভিনেতা ও সমাজসেবক আরজে মিত্তে (RJ Mitte) চলে গেলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। টেক্সাসের ব্রাউনসভিলে প্রয়াত হন এই প্রতিভাবীব তারকা।
হলিউড রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের নিশ্চিত বার্তা:
আরজে মিটির মৃত্যুর খবরটি বিনোদন বিষয়ক মাধ্যম ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর কাছে নিশ্চিত করেছেন তাঁর প্রতিনিধিরা। গভীর শোকপ্রকাশ করে এক বিবৃতিতে তাঁরা জানান— ‘অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা আমাদের প্রিয় অভিনেতা, মানবহিতৈষী এবং প্রতিবন্ধী অধিকার আন্দোলনের সোচ্চার কণ্ঠস্বর আরজে মিটির মর্মান্তিক প্রয়াণের খবরটি শেয়ার করছি।’
মৃত্যুর কারণ ঘিরে রহস্য:
যদিও মিটির প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর কোনো নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি, তবে জনপ্রিয় পেজ TMZ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী এটি আত্মহত্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুরো বিষয়টি ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
প্রতিবন্ধকতা জয় ও সমাজসেবা:
‘ব্রেকিং ব্যাড’-এর টানা ৫টি সিজনেই নিজের জাত চিনিয়েছেন মিটি। পর্দায় তাঁর চরিত্রের মতোই বাস্তবেও ৩ বছর বয়সে তিনি ‘সেরিব্রাল পলসি’ (Cerebral Palsy)-তে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে নিজের শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে পেছনে ফেলে তিনি প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় নিজেকে উজার করে দিয়েছিলেন। ইউনাইটেড সেরিব্রাল পলসি, শ্রাইনার্স চিলড্রেনস এবং 'দ্য মিটি ফাউন্ডেশন'-এর প্রধান হিসেবে সারা বিশ্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব ও সমান অধিকারের লড়াইয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম।
ব্যক্তিগত জীবনে কেনেডি সুয়ারেজের (Kennedy Suarez) সাথে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল এই তারকার। অকালেই আরজে মিটির এমন বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হলিউড এবং ব্রেকিং ব্যাডের কোটি কোটি অনুরাগীদের মাঝে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


