CJP's Resignation Party: ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় আরশোলা'র পার্টি! কেক কেটে-নেচে উদযাপন সৌরভ-আশুতোষের
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর দিল্লির এক রেস্তোরাঁয় পার্টি করতে দেখা গেল ককরোচদের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।
জেন জি-র বিরোধের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ দিতে হয়েছে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। এরপর সরকার ককরোচ জনতা পার্টির সব শর্তও মেনে নেয়। এরপরই যন্তর মন্তর ছাড়েন তাঁরা। প্রায় ১ মাস অবস্থান বিক্ষোভের পর, ইতিমধ্যেই ককরোচ ও তরুণরা ফিরেছেন ঘরে।

তবে এর মাঝেই কিছু ভিডিয়ো ভাইরাল সোমবার সকাল থেকে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর দিল্লির এক রেস্তোরাঁয় আফটার পার্টির আয়োজন করেছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকরা। আর এই পার্টিতেই দেখা গেল সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। যদিও অভিজিৎ দীপকে অসুস্থ, তাই তিনি এই পার্টিতে যোগ দিতে পারেননি।
কেক কাটতে দেখা গেল সৌরভকে, এমনকী, বলিউডি গানে পা-ও মেলালেন। একইভাবে কুল মেজাজে দেখা গেল আশুতোষ রাঙ্কাকেও। টাইফয়েডের কারণে আইভি ড্রিপ নিয়েও চালিয়ে গিয়েছিলেন বিক্ষোভ।
দেখুন ভিডিয়ো-
তবে বরাবরের মতো এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই নেটপাড়ার মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একজন লিখেছেন, ‘ভাই পার্টি তো বনতা হ্যায়’! আরেকজন লেখেন, ‘এবার বোঝা যাচ্ছে তো আন্দোলনের টাকা কোথা থেকে আসছে’! যদিও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে বিদেশি অনুদান বা অর্থসাহায্যের কোনো তথ্য নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। আবার আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘আমি দেখতে চাই ককরোচ জনতা পার্টি এরপর কী করবে। আশা করব অন্য কোনো শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে। গায়েব হয়ে যাবে না ভারতীয় রাজনীতি থেকে।’
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি মামলার শুনানিতে বেকার যুবকদের একাংশকে ইঙ্গিত করে 'আরশোলা' বা 'ককরোচ' শব্দটি ব্যবহার করেন। এরপরই ব্যঙ্গাত্মকভাবে 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) গঠন করেন অভিজিৎ দীপকে। এরপর বাদবাকিটা ইতিহাস। আমেরিকার মোটা মাইনের চাকরি ছেড়ে দীপকের ফিরে আসা, দিল্লিতে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ১৯ জন পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার বিচার চেয়ে প্রতিবাদে নামা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, ককরোচদেরা পাশে দাঁড়িয়ে সোনম ওয়াংচুকের অনশন, লাখ লাখ পড়ুয়ার সিজেপি-কে সমর্থন, দিল্লির সাংসদ অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জ ঘিরে বিক্ষোভ গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়া আর সবশেষে প্রধানের সরে দাঁড়ানো!
আপাতত গোটা দেশ তাকিয়ে কী হতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টির পরবর্তী পদক্ষেপ সেই দিকে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি তুলেছেন যে, ককরোচদের উচিত দেশের অর্থনীতি, ই-টোয়েন্টি পেট্রোলের মতো ইস্যুকে নিয়ে বিক্ষোভ করা। তবে আপাতত সেরকম কোনো ইঙ্গিত আসেনি অভিজিৎ দীপকে-আশুতোষ রাঙ্কা-সৌরভ দাসদের থেকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


