কালীবেশে পশ্চাৎদেশ প্রদর্শন! বিতর্কে নৃত্যশিল্পী, শোরগোল সোশ্যাল মিডিয়াতে
সম্প্রতি একটি নাচের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে মা কালীর বেশে একজনকে নাচতে দেখা যায়। তাঁর নাচের একটি বিশেষ অংশ নিয়েই যত বিতর্ক।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভাইরাল ভিডিয়ো নিয়ে বিতর্ক চরমে। এক নৃত্যশিল্পী-র ডান্স পারফরমেন্স নিয়ে যত তর্কবিতর্ক। তাঁর একটি নাচ আপাতত চর্চার কেন্দ্রে। যেখানে তাঁকে দেখা যায় কালীবেশে। এমনকী, নাচের একটি অংশে চুল সরিয়ে নিতম্ব প্রদর্শন করতেও দেখা যায়, যা দেখে বেশ চটেছে নেটপাড়া।

একজন লেখেন, ‘সমস্যাটা হল, পারফর্মার নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর চুল শরীরের সামনের দিকে এনে বিশেষ একটি অঙ্গকে সবার নজরে নিয়ে এসেছিলেন, যা পারফরম্যান্সের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে পরিণত হয়। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শোরগোল ও চিৎকার শোনা গিয়েছিল। যদিও পৌরাণিক কাহিনিতে দেবী কালীকে এই রূপে নগ্ন অবস্থায় চিত্রিত করার নজির রয়েছে, তবুও এমন একটি সর্বজনীন মঞ্চে তা তুলে ধরা কি আদৌ সমীচীন? আর ঠিক ওই বিশেষ মুহূর্তে কেন এত বেশি শোরগোল হল? দর্শকদের সেই প্রতিক্রিয়া থেকেই সেখানে উপস্থিত মানুষদের মানসিকতা সম্পর্কে অনেক কিছু বোঝা যায়—অথচ অন্য অনেকে বিষয়টিকে কেবলই ‘সাধারণ একটি ঘটনা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।’
আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘নৃত্য পরিবেশনাটির প্রতি কোনো বিদ্বেষ নেই, এটি খুবই সুন্দর... কিন্তু যেহেতু তারা ঐশ্বরিক চরিত্রে নাচ করছেন, তাই তাদের পোশাক এবং নাচের ভঙ্গির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিল।’ যদিও অনেকে সমর্থনেও কথা বলেছেন। একজন লেখেন, ‘ভালো চোখে দেখলে এখানে কোনো সমস্যা নেই।’ আরেকজন আবার কটাক্ষকারীদের বিদ্রুপ করে লেখেন, ‘সীতা যখন পুরোপুরি শরীর ঢাকা শাড়ি-ব্লাউজ পরেছিলেন তখন মানুষের সমস্যা হয়েছিল, আর এখন অন্য একজনকে তার আসল রূপে দেখানো হচ্ছে। তাতেও সমস্যা। এদের দাবিটা কী!’
এদিকে, বিতর্কের জল গড়ায় বহুদূর। যখন দেখা যায় যে, আনন্দী সাহা নামে এক নৃত্যশিল্পীর নাম জড়ায় এতে। যিনি তারাপীঠের বাসিন্দা। সেদিন দশমহাবিদ্যার ডান্স পরাফরমেন্স দেখতে এদিন হাজির হয়েছিলেন। সেই ভিডিয়ো শেয়ারও করেছিলেন নিজের পেজে। যা দেখে নেটপাড়ার বড় একটা অংশের ধারণা হয় যে, বুঝি বা ওই পারফরমেন্সটি আনন্দীই করেছেন। যদিও পরবর্তীতে একটি পোস্ট ও ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি জানান যে, এরকম কিছুই ঘটেনি। তিনি স্টেজে ছিলেন না। বরং, বসেছিলেন দর্শকাসনে। তাই তার নাম জড়ানোটা ভুল বোঝাবুঝি ছাড়া আর কিছুই নয়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


