‘আমি তৈরি, ঐশ্বর্য আর আমার বাবাকে রাজি করান…’, কোন প্রসঙ্গে বললেন অভিষেক বচ্চন?
‘আমি তো একদম তৈরি! আমি তো এক পায়ে রাজি। কিন্তু এর জন্য আপনাদের আগে ঐশ্বর্যা আর আমার বাবা (অমিতাভ বচ্চন)-কে রাজি করাতে হবে!’ কোন প্রসঙ্গে বললেন অভিষেক বচ্চন?
২০০৫ সালের ‘বন্টি অউর বাবলি’ ছবির সেই আইকনিক আইটেম নম্বর ‘কাজরা রে’ আজও পার্টি কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানের অন্যতম সেরা আকর্ষণ। পর্দায় অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বর্যা রাইয়ের সেই দুর্দান্ত রসায়ন আজও দর্শকের মনে তাজা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কালজয়ী গানের শুটিংয়ের মজাদার স্মৃতি উস্কে দিলেন জুনিয়র বচ্চন, অভিষেক। শুধু তাই নয়, ‘কাজরা রে ২.০’ বানানোর প্রশ্নে একটি বড় শর্তও জুড়ে দিলেন তিনি! শুটিং নয়, যেন চার ঘণ্টার ড্যান্স পার্টি!

‘বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্ক’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক জানান, তাঁর অভিনয় জীবনের অন্যতম সেরা এবং আনন্দের অভিজ্ঞতা ছিল এই গানের শুটিং করা। তিনি বলেন, ‘শুটিং করার সময় আমার জন্মদিন ছিল, আর সেটে সবাই সেটা সেলিব্রেট করেছিল। পরিচালক শাদ আলি গান চালিয়ে দিয়ে আমাদের প্রায় চার ঘণ্টা ধরে নাচতে ছেড়ে দিয়েছিলেন। আমরা যে সেটে প্রচণ্ড আনন্দ করছিলাম, হুল্লোড় করছিলাম, ও সেখান থেকেই প্রচুর আসল শট গানটিতে ব্যবহার করেছিল। ওটা শুটিং কম, চার ঘণ্টার একটা বড় পার্টি ছিল বেশি!’
‘কাজরা রে ২.০’ করতে ইচ্ছুক অভিষেক, কিন্তু শর্ত কী?
গানের কাল্ট স্ট্যাটাস নিয়ে চর্চার মাঝেই অভিষেককে প্রশ্ন করা হয়, এই গানের সিক্যুয়েল বা ‘কাজরা রে ২.০’ তৈরি হলে তিনি কি নাচতে রাজি আছেন? হাসিমুখে অভিষেকের ঝটপট উত্তর, ‘আমি তো একদম তৈরি! আমি তো এক পায়ে রাজি। কিন্তু এর জন্য আপনাদের আগে ঐশ্বর্যা আর আমার বাবা (অমিতাভ বচ্চন)-কে রাজি করাতে হবে!’
সামনে অভিষেকের বড় মেগা প্রজেক্ট:
দীর্ঘ কয়েক দশক পেরিয়েও গুলাজারের লেখা, শঙ্কর-এহসান-লয়ের সুর করা এবং অলিশা চিনয় ও শঙ্কর মহাদেবনের গাওয়া এই গান আজও সমান জনপ্রিয়। কাজের কথায়, অভিষেক বচ্চনকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে সিদ্ধার্থ আনন্দের মেগা অ্যাকশন ছবি ‘কিং’-এ। যেখানে প্রধান ভূমিকায় থাকছেন শাহরুখ খান, সুহানা খান এবং দীপিকা পাড়ুকোন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে নামছে এই বিগ বাজেট ছবি। তবে কাজের চাপের মাঝেই পুরোনো ‘কাজরা রে’-র স্মৃতির আড্ডায় নতুন করে মেতে উঠলেন পর্দার ‘বন্টি’।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


