দাদাগিরি সঞ্চালক হিসেবে সৌরভের জায়গায় দেব কতটা সফল? কী বললেন পরিচালক অভিজিৎ
হামেশাই উচ্চারণ নিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে দেবকে! তাই সৌরভের জায়গায় তিনি দাদাগিরি সঞ্চালনা করবেন, শুনে নাক কুঁচকেছিলেন অনেকেই। সঞ্চালক দেবকে নিয়ে কী বললেন শো-এর পরিচালক অভিজিৎ সেন?
আজ বহু বছর ধরে বাংলার এক নম্বর রিয়েলিটি শো জি বাংলার দাদাগিরি। শুক্র-শনিবারে টিভির সামনে বসে পড়েন সকলে। বয়স ও পেশাভেদেই এতদিন দর্শক পছন্দ করে এসেছেন এই অনুষ্ঠান। যদিও চলতি সিজনে এক বড় বদল এসেছে দাদাগিরিতে। এতদিন এর সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে ১১ নম্বর সিজন থেকে সেই গুরুদায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অভিনেতা দেব।

ইন্ডাস্ট্রির শুরুর দিনগুলোয় কম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েননি। কোনো কানেকশন ছাড়াই নিজেকে টলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবে উচ্চারণ নিয়ে এখনো পড়েন কটাক্ষে। সেই ছেলেটাই বাংলার অন্যতম এলিট কুইজ শো দাদাগিরি সঞ্চালনা করবেন শুনে অনেকেই নাক কুঁচকেছিলেন। তবে সমালোচকদের মুখে ঝামা ঘষে, দুর্দান্তভাবে সঞ্চালনা করে যাচ্ছেন। দর্শকরাও আপন করে নিয়েছেন ‘নতুন দাদা’কে।
সৌরভের জায়গায় দেবই কেন? দাদাগিরির স্টেজ দাঁড়িয়েই এই নিয়ে জবাব দিলেন শো-এর পরিচালক অভিজিৎ সেন। এই নিয়ে অভিজিৎ বলেন, ‘প্রথমত দেব নিজে একজন সুপারস্টার। কিন্তু দেব খুব মাটির মানুষ। দেবের মধ্যে কোনোরকম অহংকার নেই। দাদাগিরির এতগুলো এপিসোড হয়েছে তোমরা সবাই দেখেছ দেব সবাইকে খুব সম্মান দেয়, ভালোবাসে, বন্ধুর মতো মেশে, দাদার মতো মেশে, ভাইয়ের মতো মেশে, ঘরের ছেলের মতো মেশে, বা পাশের বাড়ির ছেলের মতো হয়ে যায়।’
‘কোনোদিন 'আমি দেব, আমি এত বছর ধরে কাজ করছি', এরকম সুলভ আচরণ ও কখনো টিমে কারও সঙ্গে করে না, প্রতিযোগীদের সঙ্গেও করে না। বরং ও সাহায্য করে যাতে সব প্রতিযোগী সঠিক উত্তর দিতে পারে। ও চায় সবাই পারুক। কেউ সঠিক উত্তর দিলে সবচেয়ে বেশি খুশি বোধহয় ও হয়।’, দেবকে প্রশংসায় ভরালেন অভিজিৎ।
প্রসঙ্গত, টলিউড অভিনেতা দেব, পরিচালক অভিজিৎ সেন ও প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরী জুটি বেঁধে পরপর বেশ কয়েকটি সফল ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। ২০০১ সালে এসেছিল টনিক। এরপর প্রজাপতি, প্রজাপতি ২, প্রধানের মতো সিনেমায় দর্শকরা ভিড় করেছে প্রেক্ষাগৃহে। সব কটি সিনেমাই হিট তকমা পেয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


