স্ত্রীক 'কুৎসিত মহিলা' বলে আক্রমণ? ২৩ বছর পর অভিযোগে মুখ খুললেন দর্শন জরিওয়ালা
স্ত্রী ও অভিনেত্রী অপরা মেহতার তোলা একাধিক অভিযোগের জবাবে ২৩ বছর পর মুখ খুললেন অভিনেতা দর্শন জারিওয়ালা। তিনি ‘কুৎসিত’ বলার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, সময়ের সঙ্গে স্মৃতি বদলে যাওয়ার কারণেই এমন দাবি উঠে থাকতে পারে।
বলিউড ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা দর্শন জারিওয়ালা অবশেষে স্ত্রী ও অভিনেত্রী অপরা মেহতার করা পুরনো অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন। অপরা অভিযোগ করেছিলেন, দর্শন সংসার ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, তাঁকে ‘কুৎসিত’ বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে তাঁর ভালোবাসা শেষ হয়ে গেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন দর্শন।

সিদ্ধার্থ কাননকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দর্শন বলেন, কারও চেহারা নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করা তাঁর স্বভাবে নেই। তিনি বলেন, ‘আমি কোনও সাধারণ চেহারার মানুষকেও কুৎসিত বলতে পারি না। মানুষের বাহ্যিক রূপ নয়, আমি সবসময় তার মনের সৌন্দর্যকেই গুরুত্ব দিই।’
দর্শন ও অপরা গত ২৩ বছর ধরে আলাদা থাকছেন। এতদিন পর এই অভিযোগগুলি প্রকাশ্যে আসা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিনেতা বলেন, ‘২৩ বছর আলাদা থাকার পর এখন কেন এই বিষয়গুলি তুলে ধরা হচ্ছে? তিনি যা খুশি বলতে পারেন, নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবেও তুলে ধরতে পারেন, কিন্তু আমি আমার সত্য জানি।’
১৯৮২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দর্শন ও অপরা। তাঁদের সম্পর্ক ভাঙার কারণ হিসেবে দর্শন জানান, সময়ের সঙ্গে তাঁদের চিন্তাভাবনা ও অগ্রাধিকার বদলে গিয়েছিল। এর পাশাপাশি একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ায় আর্থিক সমস্যাও তৈরি হয়, যা সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছিল।
অভিনেতার দাবি, তিনি আইনি ভাবে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনও করেছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে অপরা সম্মতি না দেওয়ায় সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় এবং তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ আর হয়নি।
দর্শন আরও জানান, বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় তিনি নিজের প্রায় সমস্ত জিনিসপত্র অপরা ও তাঁদের মেয়ের জন্য রেখে গিয়েছিলেন। এমনকি নতুন বাড়ি ভাড়া নেওয়ার মতো অর্থও তাঁর কাছে ছিল না। সেই সময় বন্ধুদের বাড়িতে থেকে দিন কাটাতে হয়েছে তাঁকে।
মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও অপরা যে দাবি করেছেন, তার সঙ্গে একমত নন দর্শন। তাঁর বক্তব্য, এখনও মেয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং তিনি আর্থিকভাবেও সাহায্য করেন।
বর্তমানে অতীত ভুলে নিজের জীবন নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন দর্শন জারিওয়ালা। তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে ইন্টিরিয়র ডিজাইনার অনাহিতা ইতালিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে তিনি সুখী।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


