Debchandrima Singh Roy: ‘প্রেমিক বলল…’, থাইল্যান্ডের রিসর্টে বিকিনিতে ‘বোমা’ দেবচন্দ্রিমা, এক রাতের খরচ কত?
থাইল্যান্ডের এক চোখধাঁধানো এবং অসম্ভব বিলাসবহুল রিসর্টে নিভৃতে ছুটি কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী। কালো বর্ডার দেওয়া সাদা বিকিনিতে ধরা দিলেন ‘জলপরী’ দেবচন্দ্রিমা। নায়িকার সেক্সি লুকে মজে অনুরাগীরা।
ছোটপর্দার লক্ষ্মী-মেয়ের ইমেজ ঝেড়ে ফেলে ওটিটি এবং বড় পর্দায় পা রাখতেই যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন অভিনেত্রী দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায়। ‘সাঁঝের বাতি’র সেই মিষ্টি চারু-কে কি আর চেনা যায়? টলিপাড়ার এই সুন্দরী এখন থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ছুটির মেজাজে। আর সেখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন এক বোল্ড ছবি শেয়ার করলেন তিনি, যা দেখে নেটপাড়ার পারদ এক ধাক্কায় চড়ে গিয়েছে বেশ কয়েক ডিগ্রি! তবে শুধু প্রশংসা নয়, এই অতি-সাহসী অবতারের জন্য নেটিজেনদের একাংশের তীব্র ট্রোলিং ও কটাক্ষের মুখেও পড়তে হলো অভিনেত্রীকে।

মায়ের সার্টিফিকেট, প্রেমিকের হুকুম! ‘টিম’-এর কথাই শুনলেন অভিনেত্রী
শেয়ার করা ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, থাইল্যান্ডের একটি বিলাসবহুল হোটেল রুমের বিশাল কাঁচের জানলার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দেবচন্দ্রিমা। বাইরে তখন হয়তো ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে, আর ঘরের ভেতরে পরনে স্রেফ একটি টু-পিস বিকিনি! পিঠখোলা সেই অন্তর্বাসে নিজের চাবুক ফিগার ফ্লন্ট করে চুল বাঁধতে ব্যস্ত তিনি। ক্যামেরার দিকে ওঁর পিঠ ফেরানো।
এই আগুন ধরানো ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে দেবচন্দ্রিমা যা লিখেছেন, তা নিয়েই এখন মণ্ডপে মণ্ডপে আলোচনা। অভিনেত্রী লিখেছেন, 'মা বলল ‘দারুণ লাগছে’, বয়ফ্রেন্ড বলল ‘এক্ষুণি পোস্ট করো’। আমি তো আমার টিমের কথাই শুনি!" অর্থাৎ, এই বিকিনি লুক অনুরাগীদের সামনে আনার পেছনে ওঁর মা এবং বাস্তব জীবনের মনের মানুষের যে পূর্ণ সম্মতি ও সবুজ সঙ্কেত ছিল, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দেবচন্দ্রিমা নিজেই।
‘বাঙালি সংস্কৃতি গেল!’ দেবচন্দ্রিমার সাহসিকতা দেখে চটল নেটপাড়া
মা আর প্রেমিকের সার্টিফিকেটে ছবি পোস্ট হলেও, নেটজনতা কিন্তু ওঁর এই ‘সাহসী’ রূপ সহজে হজম করতে পারছে না। ছবি ছড়িয়ে পড়তেই কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে ট্রোলের বন্যা। কেউ লিখেছেন, "সিরিয়ালে অত ভালো অভিনয় করার পর এখন স্রেফ সস্তার জনপ্রিয়তার জন্য শরীর দেখাতে হচ্ছে?" আবার কারও খোঁচা, "মায়েরা এখন মেয়েদের বিকিনি পরা ছবির প্রশংসা করছে, যুগ সত্যিই বদলে গিয়েছে!" অনেকে আবার ‘বাঙালি সংস্কৃতি’র দোহাই পেড়ে অভিনেত্রীকে শালীনতার পাঠ পড়াতেও ছাড়েননি।
থাইল্যান্ডের এক চোখধাঁধানো এবং অসম্ভব বিলাসবহুল রিসর্টে নিভৃতে ছুটি কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী। আর সেই রিসর্টের এক রাতের ভাড়ার অঙ্ক শুনলে সাধারণ মানুষের চোখ কপালে উঠতে বাধ্য!
থাইল্যান্ডের বুকে জাপানি ছোঁয়া! ‘ওয়াবি সাবি ওনসেন ভিলা’য় দেবচন্দ্রিমা
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবচন্দ্রিমার শেয়ার করা প্রতিটা ছবি ইতিমধ্যেই নেটপাড়ার নজর কেড়েছে। জানা গিয়েছে, থাইল্যান্ডের বিখ্যাত সমুদ্রতীরবর্তী শহর হুয়া হিন (Hua Hin)-এর অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অভিজাত রিসর্ট ‘ওয়াবি সাবি ওনসেন ভিলা’ (WABI SABI Onsen Villa Hua Hin)-এ আস্তানা গেড়েছেন অভিনেত্রী।
জাপানি সংস্কৃতি ও আধুনিক বিলাসের মিশেলে তৈরি এই ভিলার প্রধান আকর্ষণ হলো এর ব্যক্তিগত ওনসেন (Onsen) বা জাপানি স্টাইলের গরম জলের স্পা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ। চারপাশে সবুজের ঘেরা টোপ আর শান্ত পরিবেশের মাঝে দেবচন্দ্রিমা এখানে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে নিজের মতো করে ‘মি-টাইম’ উপভোগ করছেন। কাঁচের জানলা দিয়ে আসা বৃষ্টির আলো আর ভিলার কাঠের কারুকার্য ওঁর এই ছুটির মেজাজকে আরও মায়াবী করে তুলেছে।
পকেটে টান পড়ার জোগাড়! এক রাতের ভাড়ায় ঘুরে আসা যায় বিদেশ
সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, থাইল্যান্ডের এই অনবদ্য ওনসেন ভিলায় থাকার খরচ ঠিক কত? ট্রাভেল ওয়েবসাইট এবং হোটেল বুকিং সূত্রের খবর, এই রিসর্টের একেকটি প্রাইভেট ভিলার এক রাতের গড় ভাড়া প্রায় ৬৭ হাজার টাকা!
হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। মধ্যবিত্ত বাঙালি যে টাকায় অনায়াসে সপরিবারে ঘুরে আসতে পারেন কোনো প্রতিবেশী দেশ, সেই বিপুল পরিমাণ টাকা দেবচন্দ্রিমা খরচ করছেন এই রিসর্টে স্রেফ একটা রাত কাটানোর জন্য। তবে কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকা এই অভিনেত্রীর কাছে যে বিলাসিতাই এখন শেষ কথা, তা ওঁর এই রাজকীয় পছন্দই প্রমাণ করে দিচ্ছে। নিন্দুকেরা ওঁর পোশাক নিয়ে যতই ট্রোলিং করুক না কেন, অনুরাগীরা দেবচন্দ্রিমার এই ‘ল্যাভিশ’ লাইফস্টাইল আর রাজকীয় ভ্রমণের ছবি দেখে বেশ প্রশংসাই করছেন!
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


