Debleena on Uttam Kumar: ‘আমি উত্তম কুমারকে আমার স্বামী মনে করি, গৌরবকে বলেছি আমায় ঠাকুমা ডাকবি’, ফের ট্রোল দেবলীনা

নিজেকে উত্তমকুমারের পাগল ভক্ত বলে বর্ণনা করলেন দেবলীনা দত্ত। এমনকী, নিজেকে উত্তম কুমারের ‘বউ’ বলেও দাবি করলেন।

Published on: Sep 4, 2026, 15:00:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নিজের খোলামেলা বক্তব্যের কারণে বরাবরই পরিচিত অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত। সম্প্রতি এফ এম গোল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যেমন নিজের এক পাগল ভক্তের কথা শোনালেন অভিনেত্রী। যে তাঁকে সব জায়গায় ফলো করতেন। এমনকী, তিনি যেখানে যেখানে যেতেন সেই লোকেশন, তাঁর পোশাক নিয়ে ম্যাসেজও করতেন। তাঁকে বিয়ে করতেন চাইতেন সেই যুবক। আর এই কথা প্রসঙ্গে, নিজেকে একইভাবে উত্তমকুমারের পাগল ভক্ত বলে বর্ণনা করেন। এমনকী, এই সাক্ষাৎকারে নিজেকে উত্তম কুমারের ‘বউ’ বলেও দাবি করেন।

'আমি উত্তম কুমারকে আমার স্বামী মনে করি', নিজের বক্তব্যে ট্রোল দেবলীনা।
'আমি উত্তম কুমারকে আমার স্বামী মনে করি', নিজের বক্তব্যে ট্রোল দেবলীনা।

দেবলীনা জানান, বেশ অনেকগুলো বছর আগের কথা। সেইসময় স্মার্ট ফোন আসেনি। সোশ্যাল মিডিয়ারও এত চল ছিল না। সেইসময় একজন ভক্ত দেবলীনাকে বিয়ে করতে চাইতেন। এমনকী, এতটাই পাগল ছিল সেই ভক্ত যে সব জায়গায় অভিনেত্রীকে অনুসরন করতেন। তিনি যে অনুষ্ঠানেই যান, বা ফিল্মি পার্টিতে, শেষ হতেই তাঁর কাছে ম্যাসেজ আসত। লেখা থাকত ভেন্যু, পোশাকের রং। এমনকী, সেখানে কী কী কথা হল সেটাও।

এরপর ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু হয়। যেখানেও অভিনেত্রী যে যে সিনেমা দেখতেন, সেই সিনেমা দেখে বেরনোর পরই ম্যাসেজ আসত সিনেমার নাম। আর দেবলীনাও ঠিক করেন, এই সিনেমাহলেই ধরবেন সেই সর্বত্র ফলো করা মানুষটিকে। অভিনেত্রী লক্ষ্য করছিলেন তিনি যখনই সিনেমা হলে সিনেমা দেখছেন, তখন তাঁর পিছনে একটা গ্রুপ থাকছে। কিন্তু সেই গ্রুপের মধ্যে কে ঠিক তাঁকে ফলো করছে তা নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না। তাই একটা বুদ্ধি বের করেন। সিনেমাহলে তাঁর বন্ধুদের গ্রুপ গিয়ে বসে, তিনি মুখ ঢেকে লুকিয়ে কিছুটা পিছনে বসেন। আর বন্ধুরা ফোন ধরে অভিনয় করে, জোরে চিৎকার করে, ‘কেন আসবি না কেন দেবলীনা, কী হয়েছে তোর’! আর তাতেই পিছন থেকে এক যুবক উঠে দাংড়িয়ে খুব উদ্বিগ্ন হয় প্রশ্ন করে, ‘কী হয়েছে দেবলীনাদির’। ব্যস এরপর আর কী, দুইয়ে দুইয়ে চার।

দেবলীনার কথায়, ‘আমার বন্ধুরা ওকে বাইরে নিয়ে এল। সে বলল, আমি কোনো ক্ষতি চাই না দেবলীনাদির। শুধু বিয়ে করতে চাই। তারপর আমি বোঝালাম আমি তো একটা সম্পর্কে আছি। এটাও তো খুব অদ্ভুত হয়ে যাচ্ছে। বারবার আমি যেখানে যাচ্ছি তুমি ম্যাসেজ করছ। যাই হোক, তারপর ছেলেটা এটা করা বন্ধ করে। মজার ব্যাপার হল সেই ছেলেটির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। আর ওর বউয়ের নামও দেবলীনা।’

আর এই পাগল ভক্তের কথা বলতে গিয়ে নিজের উত্তম কুমারের প্রতি ভালোবাসাও ব্যক্ত করেন। বলে ওঠেন, ‘আমি যেমন উত্তম কুমারকে আমার স্বামী বলে মনে করি। আমি বিবাহিত ওঁর সঙ্গে, আমি তাই মনে করি। সব ফ্যানদেরই তো এরকম হয়। আমার তো গৌরবকেও বলা আছে তুই আমাকে ঠাকুমা বলে ডাকবি। ও তাই ডাকে। ওর নামটা আমার ফোনে নাতি গৌরব বলেই সেভ করা আছে।’

যদিও দেবলীনার এই মন্তব্যের জেরে ফের ট্রোলের মুখে পড়লেন তিনি। একজন লিখেছেন, ‘সেলিব্রিটি হলেই কি ওভার স্মার্ট হতে হয়। স্মার্ট হওয়া ভালো, ওভার স্মার্ট হওয়া ভালো নয়।’ আরেকজন লেখেন, ‘সত্যি ওনার মাথাটা গেছে।’ তবে দেবলীনার সপক্ষে এক মহিলা লিখেছেন, ‘উত্তমকুমারকে অনেক মেয়েরাই স্বামী রূপে দেখতে চাইতেন। দেবলীনা সে-ই কথাই বলেছেন। ভুল বলেননি।’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More