Debojyoti Roy Chowdhury: চাই না কোনও রঙ…’, কলম ধরলেন 'বেদ'! ভোটের আবহে দেবজ্যোতির কবিতায় প্রতিবাদ সুর

Debojyoti Roy Chowdhury: পর্দায় তিনি কখনও আদর্শ বন্ধু কিংবা প্রেমিক, কখনও আবার ষড়যন্ত্রকারী খলনায়ক। কিন্তু বাস্তবের দেবজ্যোতি রায়চৌধুরী যে একজন কলমচি এবং স্পষ্টবক্তাও বটে, তার প্রমাণ মিলল সোশ্যাল মিডিয়ায়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে তাঁর লেখা একটি কবিতা সাড়া ফেলেছে নেটপাড়ায়।

Published on: May 4, 2026, 09:30:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছোটপর্দায় বর্তমানে তাঁকে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। একদিকে ‘লক্ষ্মী ঝাঁপিতে’ বেদ রায়ের চরিত্রে তিনি যেমন দর্শকদের প্রিয় হয়ে উঠেছেন, তেমনই ‘তারে ধরি ধরি মনে’-তে নেতিবাচক চরিত্রে তাঁর অভিনয় দক্ষতা প্রশংসিত হচ্ছে। তবে এবার অভিনয়ের বাইরেও নিজের এক অন্য মেধার পরিচয় দিলেন অভিনেতা দেবজ্যোতি রায়চৌধুরী। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে তাঁর লেখা একটি ধারালো কবিতা এখন সামাজিক মাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

‘চাই না কোনও রঙ…’, কলম ধরলেন 'বেদ'! ভোটের আবহে দেবজ্যোতির কবিতায় প্রতিবাদ সুর
‘চাই না কোনও রঙ…’, কলম ধরলেন 'বেদ'! ভোটের আবহে দেবজ্যোতির কবিতায় প্রতিবাদ সুর

কবিতার ছত্রে ছত্রে রাজনৈতিক শ্লেষ:

রাজনীতির ময়দানে ক্ষমতার লড়াই আর সাধারণ মানুষের অসহায়তাকেই যেন শব্দে বন্দি করেছেন দেবজ্যোতি। তাঁর কবিতায় উঠে এসেছে ‘বাগানের সব ফুল কেটে দেবো’ কিংবা ‘চাই না কাস্তে, চাই না চরকা’-র মতো উপমা, যা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতীকের প্রতি এক প্রচ্ছন্ন কটাক্ষ। তিনি লিখেছেন— ‘খেলা হলো, বদল হলো, এবার আমার দান / নেই ধানের শিষ, নেই শিশিরবিন্দু / এই বাগান হোক শ্মশান।’ দাদুর লাগানো গাছ যে ফল দেয়নি, বরং ‘বিদেশি গ্যামাকসিন’-এ নষ্ট হয়েছে— এই রূপক যেন রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি এক গভীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ।

অভিনয় ও লেখালেখির সমীকরণ:

একদিকে পর্দার খলনায়ক, অন্যদিকে বাস্তবের সংবেদনশীল কবি— দেবজ্যোতির এই দুই রূপ দেখে মুগ্ধ তাঁর অনুরাগীরা। ব্যস্ত শুটিং শিডিউলের মাঝেও সমাজের চারপাশের অস্থিরতা তাঁকে ভাবিয়ে তোলে, আর সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছে এই প্রতিবাদী কবিতা। পর্দার ‘বেদ’ যে বাস্তবেও বেশ স্পষ্টবক্তা এবং গভীর চিন্তাশীল, তা তাঁর এই লেখাই প্রমাণ করে দেয়।

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া:

সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতাটি পোস্ট হওয়ার পর থেকেই তা ভাইরাল। অনেকেই মনে করছেন, একজন শিল্পী হিসেবে সমাজের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই দেবজ্যোতি এই কলম ধরেছেন। ক্ষমতার দলাদলিতে সাধারণ মানুষের যে নাভিশ্বাস উঠছে, দেবজ্যোতির কবিতা যেন তারই এক প্রতিচ্ছবি।

কেরিয়ারের এই স্বর্ণালি সময়ে দাঁড়িয়ে অভিনেতা দেবজ্যোতি কি তবে আগামী দিনে আরও ধারালো কলমে ধরা দেবেন? তাঁর অনুরাগীরা কিন্তু সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More